ডেষ্ক নিউজঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামে অবৈধ ভাবে বসতবাড়ী পুনঃ নির্মানে বাঁধা প্রদান ও উচ্ছেদের পায়তারা করেছে প্রতিপক্ষ। স্থানীয় ও সরেজমিনে জানা যায়, নানী ময়জান এর নানা হামেদ আলী সেখ এর সিএস/এসএ রেকর্ডীয় ১৩ শতকের কাতে ০৬ শতক সম্পত্তিতে বিগত ১৫/১৬ বছর যাবৎ টিনের ঘর দরজা নির্মান করে নানী- ময়জান, মাতা- গোলকজান ও বোন- অঞ্জনা খাতুনসহ নিজ স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছে পাইকড়া গ্রামের জনৈক মৃত মুকুল হোসেন এর ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন। অপর দিকে প্রতিপক্ষ- মোঃ সুরমান আলী সেখ গংসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিগন সম্পত্তি জোর পূর্বক বেদখলের উদ্দেশ্যে গোপনে সিএস/এসএ এর মুল মালিকের নাম গোপন রেখে নিজেদের নামে আর/এস রেকর্ড করে। ১০/০৪/২০১২ তারিখে লিখিত ভাবে আপোষ মিমাংসা হলেও প্রতিপক্ষ তাহা অমান্য করে আলমগীরদের উচ্ছেদের পায়তারাসহ বিভিন্ন হুমকী ধামকী প্রদান করতে থাকে। পরবর্তীতে ৩১/০৩/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৭.০০ টা থেকে আলমগীর তাদের বসতকরা ঘর ইট দ্বারা পুনঃ নির্মানের কাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষ উক্ত কাজে বাধা করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে ০২/০৪/২০২৬ তারিখ শালিস বৈঠক বসলে প্রতিপক্ষ বিবাদময় সম্পত্তির কোন দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পেরে গ্রামবাসীদের কথা অগ্রাহ্য করে ও ২০১২ সালের শালিসের রায় অমান্য করে শালিস বৈঠক থেকে চলে যায়। গ্রামবাসীও বিষয়টির কোন সমাধান না দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে ইং ০৪/০৪/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০১.৩০ টার সময় প্রতিপক্ষ আলমগীরের পরিবার বর্গ ঘুমন্ত অবস্থায় আলমগীরের পরিবারের লোকজনদের ধারালো অস্ত্র দ্বারা অথবা আগুনে পুড়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আলমগীরের বসতবাড়ীর দক্ষিন দুয়ারি ঘরের টিনের বেড়া ভাংচুর করে বাড়ীর ভিতর প্রবেশ করে। ঐ সময় আলমগীর ও তার পরিবারের লোকজন টিনের বেড়া ভাংচুরের শব্দে ঘুম থেকে জেগে উঠে ডাক চিৎকার করলে প্রতিপক্ষ উত্তর দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায় বলে আলমগীর ও তার পরিবার জানায়। প্রতিপক্ষ পুনরায় ইং ০৪/০৪/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ২.০০ টার সময় আলমগীরদের চলাচলের রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করলে অফিসার ইনচার্জ জানায় যে, আলমগীরদের পক্ষ থেকে অভিযোগ ও সাধারন ডায়রী হয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আলমগীর জানায়, আমরা ছোট। জায়গা জমি বা কাগজ পত্র সম্পর্কে আমাদের তেমন ধারনা নাই। তবে এখন কিছুটা বুঝতে পেরেছি তাই আরএস রেকর্ড সংশোধনের মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।