নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের বিচারঙ্গন ও রাজপথের রাজনীতিতে বর্তমানে পরিচিত এক নাম অ্যাডভোকেট তামান্না খানম আইরিন। একজন মেধাবী আইনজীবী এবং তেজস্বী নারী নেত্রী হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন নিয়মিত আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

পেশাগত জীবন ও সাফল্যের পথচলা:
তামান্না খানম আইরিনের আইন পেশার শুরুটা ছিল অত্যন্ত নিষ্ঠার। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি শুরু থেকেই আপসহীন। দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তিনি অসংখ্য দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করেছেন। বিশেষ করে মানবাধিকার রক্ষা এবং আইনি জটিলতায় পড়া নারী ও শিশুদের আইনি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। সহকর্মীদের কাছে তিনি একজন ন্যায়নিষ্ঠ এবং মেধাবী আইনজীবী হিসেবে প্রশংসিত।

রাজনৈতিক দর্শন ও নেতৃত্ব: পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তামান্না খানম আইরিন ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতিতে সক্রিয়। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং নারী সমাজকে স্বাবলম্বী ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন করার লক্ষ্যে তিনি বর্তমানে ‘ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা দল’-এর সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাকে সামনের সারিতে দেখা যায়। বিশেষ করে নারী সমাজের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দলের নেতাকর্মীদের আইনি সুরক্ষা প্রদানে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে দেখার দাবি:
তামান্না খানম আইরিনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং দলের প্রতি তার একনিষ্ঠ আত্মত্যাগ বিবেচনা করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাকে আগামীতে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে দেখতে চান। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মতে, তার মতো একজন উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ আইনজীবী এবং রাজপথের পরীক্ষিত নেত্রী সংসদে গেলে নারী অধিকার রক্ষা ও নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। সংসদে নারীদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে তামান্না খানম আইরিনকে পাওয়ার প্রত্যাশা এখন অনেকেরই।
সামাজিক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য:
আইন ও রাজনীতির বাইরেও তামান্না খানম আইরিন বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজের সাথে যুক্ত। সুবিধাবঞ্চিত নারীদের আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি ব্যক্তিগত পর্যায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।
ভবিষ্যতে তিনি আইন পেশায় আরও উচ্চতর শিখরে পৌঁছাতে চান এবং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে বদ্ধপরিকর। আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি নিজেকে একজন অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেখতে চান।