হকারদের দখলে রাজধানীর বেশিরভাগ ফুটপাত; উদ্যোগ নিলেও স্থান নির্ধারণ করতে পারেনি নগর কর্তৃপক্ষ।হকারমুক্ত ফুটপাত, জায়গা নির্ধারণ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা- এখনও রয়েছে কাগজে-কলমে।
গুলিস্তান, নিউমার্কেট, মিরপুর, মালিবাগ, রামপুরা, খিলগাঁওসহ সব গুরুত্বপূর্ন এলাকার ফুটপাত হকারের দখলে। আবার হকারের জন্য নির্ধারিত স্থানে করা হচ্ছে গাড়ি পার্কিং। তাই ফুটপাতে হাঁটতে পারছে না পথচারী, বাধ্য হচ্ছে সড়কে নামতে। ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক জানান, অরাজকতা থেকে শিগগিরই মুক্তি পাবে নগরবাসী।
গুলিস্তানের একটি সড়ক হকারদের জন্য নির্ধারণ করেছিল ঢাকা দক্ষিণ। সেখানে এখন গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে। আশপাশের ফুটপাত দখল করে দোকান বসানো হয়েছে। ফলে সংকুচিত হয়েছে পথচারীদের চলাচলের জায়গা।
একই অবস্থা বায়তুল মোকাররম, নিউমার্কেট কিংবা মিরপুর এলাকায়। উচ্ছেদ ও হকার ব্যবস্থাপনার কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি।
তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো.আব্দুস সালাম বলছেন, ঈদের কারণে নিয়ম শিথিল করা হয়েছিল। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ফি নির্ধারণের অনুমতি দিলে আবারও কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি বলেন, হকারদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চাই, তাদের কার্ড দিচ্ছি; ভ্যানের লাইসেন্স দেব। এটার জন্য ফি নির্ধারণ করব। এটা শুধু আমাদের বিষয় না, স্থানীয় মন্ত্রণালয়কে দিয়েছি, তারা ফিডব্যাক দিলে এটা কার্যকর করব। ওই অপেক্ষায় আমরা আছি।
ঈদের পরও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে সিটি করপোরেশন। কিন্তু যেসব এলাকায় হকার ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো সেখানে হাত দেয়নি।
এদিকে রাজধানীর ফুটপাথ অবৈধ দখলকরা হকার ও ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সা বন্ধের দাবিতে ‘হকার ও অটোরিকশা হটাও’ আন্দোলনের কর্মী সোহানী শিফা ফুটপাত ও রাস্তা পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে অভিনব প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে সচিবালয়ের সামনে মাত্র ১০ টাকায় ভাত বিক্রি শুরু করেন। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির পরপরই পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয় যা সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে।