রাষ্ট্রপতি পদে লড়তে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে এলডিপি প্রেসিডেন্ট অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বেলা ১১টা ৪৯ মিনিটে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ এর ‘নির্বাচনী কর্তা’ এএমএম নাসির উদ্দিন। এ সময় সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। অলি আহমদের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক হলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং সমর্থক নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনানুযায়ী, একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক সই থাকতে হবে।
যদি প্রার্থীর সংখ্যা একজনের বেশি না হয়, তবে তাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। তবে একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদের অধিবেশন কক্ষে বিধিমালা অনুযায়ী ভোট হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাতে ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট করতে হয়েছিল। পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন। এবার অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির পদের নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। নির্বাচন কমিশন এখন যাচাই-বাছাইয়ের পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।