বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা এলপিজির দাম না বাড়ানোর দাবি ক্যাবের, বিইআরসির শুনানিতে আজ নজর জ্বালানি ও রেল খাতে জাপানি বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরাইল নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অনিশ্চয়তা, নতুন ভোটের শঙ্কা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, প্রভাব ফেলছে তেলের দর সিন্ডিকেট ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে সাশ্রয় ১৪ কোটি টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০ গাজীপুরে বাবার মৃত্যু: পলাতক তরুণ আটক, স্থানীয়দের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৫ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

ইসরাইল নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অনিশ্চয়তা, নতুন ভোটের শঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম

ইসরাইলের সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার মিত্র জোট পার্লামেন্টে সর্বাধিক আসন পেতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে নেতানিয়াহু কিংবা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট—কারও পক্ষেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা সহজসাধ্য হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশটিতে চলছে ভোট গণনার প্রক্রিয়া, যার ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জটিল সমীকরণ নির্ধারিত হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা শুরু হতে পারে, আর তাতে সমঝোতা না হলে ইসরাইলকে পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে।

ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন বুধবার ভোট গণনা শুরু করেছে। চূড়ান্ত ফলাফল পেতে দেশবাসীকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের বাইরে থেকে আসা কূটনীতিকদের ব্যালট ও সেনাসদস্যদের কয়েক লাখ ভোট। প্রধান ইসরাইলি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বুথফেরত জরিপ প্রকাশ করলেও, দেশটির রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে চূড়ান্ত ফলে তার চেয়ে ভিন্ন চিত্র আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে গণনা সম্পন্ন হবে এবং নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ইসরাইলের নেসেট বা পার্লামেন্টের আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হার অনুসরণ করা হয়। প্রতিটি দল জাতীয় পর্যায়ে অন্তত ৩.২৫ শতাংশ ভোট না পেলে কোনো আসন পায় না। বর্তমানে প্রায় এক ডজন রাজনৈতিক দল এই নির্ধারিত সীমা পার করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইসরাইলে কোনো একক দল কখনো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, ফলে জোট সরকারই সেখানে নিয়মিত ঘটনা। সরকার গঠনে নেসেটের প্রতিটি আসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে ছোট দলগুলো জোটের ভাগ্য নির্ধারণে নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।

ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারা কাকে সমর্থন দেবেন, তা জানতে চাওয়া হবে তাদের কাছে। প্রেসিডেন্ট যে প্রার্থীকে সরকার গঠনের যোগ্য মনে করবেন, তাকে দায়িত্ব দেবেন। মনোনীত সেই প্রার্থী সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাবেন। যদি সব ধরনের আলোচনা ব্যর্থ হয় এবং কোনো পক্ষই সরকার গঠনে সফল না হয়, তবে পুনরায় নির্বাচনের ঘোষণা আসবে। এমতাবস্থায় বর্তমান মন্ত্রিসভা অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ