বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী প্রায় ২ হাজার জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরোর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতে অন্ধ্রপ্রদেশে ৫ জনের প্রাণহানি লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর প্রাণহানি: বাড়িতে ডেকে নিয়ে নিরাপত্তা ঘটনায় রাষ্ট্রপতি: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা এলপিজির দাম না বাড়ানোর দাবি ক্যাবের, বিইআরসির শুনানিতে আজ নজর জ্বালানি ও রেল খাতে জাপানি বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরাইল নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অনিশ্চয়তা, নতুন ভোটের শঙ্কা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, প্রভাব ফেলছে তেলের দর

আখাউড়ায় বিয়ের আসরে আস্ত খাসি নিয়ে বিবাদ: বিয়ে ভেঙে বরপক্ষকে বিদায় কনেপক্ষের

প্রতিবেদকের নাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে কনের বাড়িতে বিয়ের আয়োজনে বরপক্ষের ১৫০ জনসহ দুই পরিবারের আত্মীয়স্বজনদের আপ্যায়ন করা হয়। তবে খাবারের মেনুতে ‘আস্ত খাসি’ না থাকা নিয়ে বর জুনায়েদ মিয়ার আপত্তির জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বর জুনায়েদ মিয়া কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে এবং তিনি জাপানপ্রবাসী। কনের বাড়ি আখাউড়ার তোলাতলা গ্রামে, যেখানে সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ের দিন ধার্য ছিল।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বর, তাঁর ভাই ও চাচার জন্য তিনটি বড় ডালায় বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। কিন্তু সেখানে আস্ত খাসি না দেখে বর জুনায়েদ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, খাবারের বিষয়ে আগে কোনো শর্ত ছিল না এবং বিয়ের পরবর্তী অনুষ্ঠানে আস্ত খাসি খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর এ নিয়ে কনেপক্ষের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। বরের ভাই তাকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে বর তার ভাইকে বিয়ে করতে বললে কনের বাবা এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বর জুনায়েদ মিয়া মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ঘটনার ভিন্ন এক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘খাওয়াদাওয়া শেষে মেয়েপক্ষ আমার কাছে পূর্বনির্ধারিত অ্যামাউন্টের চেয়ে ১০ গুণ অতিরিক্ত কাবিন দাবি করে। আমি ও আমার পরিবার তা দিতে অস্বীকার করলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। তারা আমাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেয়।’ বরের এই দাবি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কনেপক্ষ অবশ্য বরের আচরণকেই বিয়ের ভাঙনের মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেছে।

ধরখার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আশিক মিয়া বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। ছেলেটা খাবার নিয়ে খারাপ আচরণসহ বেয়াদবি করেছে। এতে মেয়ের বাবা ওই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন। পরে সব জিনিসপত্রসহ বরপক্ষকে চলে যেতে বলেন।’ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে উপহারসামগ্রী ও স্বর্ণালংকারসহ বরপক্ষকে বিদায় করে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিয়ের আসরে আস্ত খাসি না থাকার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ