দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে চলতি আগস্ট মাসে আরও ৫ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই নতুন চালানগুলোর মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ)। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকার নিয়মিতভাবে বিভিন্ন উৎস থেকে এলএনজি আমদানি অব্যাহত রেখেছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ৪টি কার্গো দেশে পৌঁছেছে। বাকি ৫টি চালান ১৭, ২১, ২৩, ২৭ ও ৩০ আগস্টের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই ৯ কার্গো এলএনজির মোট পরিমাণ ২ কোটি ৮৮ লাখ এমএমবিটিইউ। প্রতিটি কার্গোতে গড়ে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি থাকে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আগস্ট মাসের জন্য সংগৃহীত এই এলএনজি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১টি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৫টি এবং স্পট মার্কেট থেকে ৩টি কার্গো হিসেবে কেনা হয়েছে। এর আগে গত জুলাই মাসে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হয়েছিল, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্যমতে, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতারভিত্তিক কাতার অ্যানার্জি এবং ওমান সরকারের প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে। এছাড়া স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং থেকে গ্যাস সরবরাহ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার নিয়মিত বিরতিতে স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি সংগ্রহ করে থাকে।
ইতোমধ্যে ৪ কার্গো দেশে পৌঁছেছে।