মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভার্চুয়াল নারীর প্রেমে সম্পত্তি বেচে ব্রাজিলে প্রতারিত রাজমিস্ত্রি প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন ইশরাক হোসেন এ মাসেই বাড়তি বেতন পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৮৫১ ভর্তি দুটি ফ্যান ও বাতির বিল লাখ টাকা মাদক নির্মূলে অভিযানে গিয়েছিলাম, চাঁদাবাজি নয়: ইশরাক শিক্ষামন্ত্রী: প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম হুমায়ুন কবির -: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় প্রবাসীর বাড়ির পথ আটকে বেড়া, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে পাঁচ প্রকৌশলীর বদলি: দুর্নীতির শাস্তি কি কেবল স্থানান্তর?

কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ চারজনের সন্ধানে স্বজনদের অপেক্ষা

প্রতিবেদকের নাম

কক্সবাজারের ইনানীতে পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে যশোরের মণিরামপুরের নাহিদুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যা নিখোঁজ রয়েছেন। ৪১ বছর বয়সী নাহিদুর রহমান ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। তিনি তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং দুই মেয়ে—সাত বছর বয়সী রুজাইনা ইনায়া ও তিন বছর বয়সী সুনাইনা ইহানাকে নিয়ে রাজধানীর শ্যাওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। সপরিবারে ছুটি কাটাতে তারা ১৬ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওই রিসোর্টে থাকার জন্য রুম বুকিং দিয়েছিলেন।

রোববার দুপুরে রিসোর্ট ছেড়ে তাদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শনিবারের ওই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তাদের সঙ্গে স্বজনদের কোনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, ঘটনার পর থেকে নাহিদুর ও তার পরিবারের সবার ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন। নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স জানিয়েছেন, ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। অসুস্থ বাবা এখনো ছেলের পরিবারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি জানেন না। কিন্তু তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানেন না স্বজনেরা। চারজনের কোনো খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের। এরপর বিভিন্নভাবে খোঁজ নিয়েও তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা বেঁচে আছেন, নাকি তাদেরও আগুনে প্রাণ গেছে, এমন অনিশ্চয়তা তাদের গ্রাস করেছে।

এদিকে রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহগুলো এমনভাবে দগ্ধ হয়েছে যে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ ওই ১০ জনের মধ্যে আছেন কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফিরোজ কবির জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর দাবিদার হিসেবে একাধিক পরিবার সামনে এসেছে। পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর তা পরীক্ষার মাধ্যমেই প্রকৃত স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। তবে মরদেহগুলো পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তে জটিলতা দেখা দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ