রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকের সাথে গলাচিপা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু: সিলেটকে পর্যটন ‘হাব’ হিসেবে গড়তে কাজ করছে সরকার: বানিজ্যমন্ত্রী হিলি সীমান্তে ছোলা বুট ও সরিষা উদ্ধারের একদিন পর ট্রাক চালক ও হেলপার সহ ৪ জনকে আটক নাটোরে হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে গিয়ে সব শেষ তাপসের দেশবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে দিশেহারা রৌমারী-রাজিবপুরের ৩ লাখ মানুষ প্রতিকারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন যশোরে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক,প্রাইভেটকার জব্দ আরটিভি’তে ধারাবাহিক নাটক ‘ম্যানেজ মাস্টার’ জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮ জন এবং আহত ৫৬১ জন কুড়িগ্রামের মোঘলবাসা নৌকা ঘাটে সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ

কুড়িগ্রামের মোঘলবাসা নৌকা ঘাটে সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ

রৌমারী প্রতিনিধি(কুড়িগ্রাম) ঃ

কুড়িগ্রামের মোঘলবাসা নৌকা ঘাটে এ,কে,এম, হাসানুজ্জামান নামের এক সাংবাদিককে পরিকল্পিতভাবে নির্জনে ডেকে নিয়ে হয়রানি ও মানসিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার বরাবর ্একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১ জুলাই) সকালের দিকে কুড়িগ্রামের মোঘলবাসা নৌকা ঘাটে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কুড়িগ্রাম সদর হতে রৌমারী যাওয়ার পথে নৌকাঘাটে পৌঁছার কিছুক্ষণ পরেই অপরিচিত কয়েকজন যুবক তাকে নৌকা থেকে দূরে নির্জন একটি পরিত্যক্ত স্থানে ডেকে নিয়ে যায়। ওই স্থানে আগে থেকেই আরো কয়েকজন যুবক অবস্থান করছিলেন। সিন্ডিকেট চক্রের যুবকরা আমাকে জোরপূর্বক আইডি কার্ড ও ফেসবুক প্রোফাইল দেখতে চায় এবং নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভীতি সঞ্চার করার চেষ্টা করে এবং কাছে থাকা ছোট বস্তায় মাদক আছে বলে মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করে।

কৌশলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সহায়তায় ব্যাগ তল্লাশি করালে সেখানে অবৈধ কিছু পায়নি। তল্লাশির পর স্থানীয় লোকজনের আনাগোনা টের পেয়েই ওই যুবকরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে চলে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একাধীকবার এরকম ঘটনা ঘটলেও ব্যবস্থা নেয়নি নৌ-ঘাট কর্তৃপক্ষ। এব্যাপারে ওই সাংবাদিক বাদী হয়ে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নৌকা চালক মাসুদ রানা ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, আমি বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে গেলে ওই সিন্ডিকেট চক্রটি পালিয়ে যায়। তারা প্রায় এই ঘাটে এসে গেদারিং করে। আমি ঘটনাটি ঘাট ইজারাদারকে জানাইছি।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রৌমারী শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও যদি এরকম হয়রানির শিকার হয়, তবে তা উদ্বেগের বিষয়। গুরত্বপূর্ণ ওই নৌকা ঘাটে আইনশৃঙাখলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দরকার।

নৌকাঘাট ইজারাদার ও স্থানীয় চেয়ারম্যান বাবু মিয়ার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও আমাকে কেউ জানায়নি,তবে খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো আর যাতে এরকম ঘটনা না ঘটে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের সরকারি মোবাইল নম্বরে কল করলে,তিনি রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ