মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
“দক্ষিণ গফরগাঁও এর সতর বাড়ী গ্রামের বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা” প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ।। দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার “বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল হাই স্কুল”র জয় ঢাকা সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক নিহত লক্ষ্মীপুরে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন শতাধিক নেতাকর্মী সায়মা ওয়াজেদের ডব্লিউএইচও নিয়োগ ত্রুটিপূর্ণ ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব রিপোর্টার পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা গাজীপুরে মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় তিন শিক্ষক গ্রেপ্তার ডেনমার্কে বাড়ির বাগান খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো হাজার বছরের পুরনো ভাইকিং রৌপ্যভান্ডার

দুর্নীতিবাজ ডিপ্লোমা ইঞ্জিঃ মনোয়ার হোসেনের বিলাসী জীবন।। রয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদ

প্রতিবেদকের নাম

দুর্নীতির রিপোর্ট: ডিপ্লোমা পাস করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীতে চাকরি নেন মো: মনোয়ার হোসেন। পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে এখন উপজেলা প্রকৌশলী তিনি। বর্তমান কর্মস্থান মাদারীপুর সদর। এই সরকারি কর্মকর্তা ইতিমধ্যে নানা দুর্নীতি অনিয়মের মাধ‌্যমে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। মাদারীপুর ও কুষ্টিয়া প্রতিনিধির অনুসন্ধানে জানা যায়, এই মহা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনের তার নিজ এলাকা কুষ্টিয়া শহরে নির্মাণাধীন এবং কুমারখালী উপজেলার কাজীপাড়া মোড়ে একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি এবং ঢাকার লালমাটিয়াতে লাক্সারি ফ্লাট সহ বেশ কিছু জায়গা সম্পত্তি রয়েছে।

এছাড়া একটি দামি গাড়ি এবং ব্যাংকে বিপুল পরিমাণে টাকা রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। যার আনুমানিক মূল্য ২০ কোটি টাকার উপরে। মূলতঃ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই বিপুল সম্পদের মালিক হন তিনি। নিজে এবং তার স্ত্রী-সন্তান সহ নিকট আত্মীয়-স্বজনের নামে এসব অবৈধ সম্পত্তি কিনেছেন। হাসিনা সরকারের সময় নানা অনিয়ম দুর্নীতির পরেও এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে একই স্থানে একই পদে এখনো দাপটের সঙ্গে দুর্নীতি অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন অসৎ দুর্নীতিবাজেরা কিভাবে বর্তমানে ছাড় পেয়ে যাচ্ছেন, সেটাই বড় প্রশ্ন। ডিপ্লোমা পাস করা একজন কর্মকর্তা কিভাবে এত বিত্ত-বৈভাবের পাহাড় গড়লেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আমরা মনে করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ