বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে ডনাল্ড ট্রাম্পের ধন্যবাদসূচক চিঠি হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর ঘটনায় সালিসের মাধ্যমে আর্থিক সমঝোতার অভিযোগ ইরানের দাবি: মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ভূপাতিত হয়েছে ২০০টির বেশি বিমান শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে পিকআপ উল্টে বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত সিলেটে চালু হলো দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিপিএল না হওয়ার ক্ষতিপূরণ ও ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিবি-কোয়াব বৈঠক ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য সময়সূচি: জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে কেবল দুই সবজি প্রেক্ষাপট: বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

নতুন পে-স্কেল ও যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রতিবেদকের নাম

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর সৃষ্ট মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা কিছুটা অতিরঞ্জিত। তিনি ব্যাখ্যা করেন, দীর্ঘ সময় নতুন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মীর বেতন ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই নতুন স্কেল বাস্তবায়িত হলে সবার বেতন রাতারাতি দ্বিগুণ হয়ে যাবে—এমন ধারণা সঠিক নয়।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন কাঠামো পরিবর্তনের ফলে সরকারি ব্যয়ের ওপর যে প্রভাব পড়বে, তা সামাল দেওয়ার মতো বাজেট সরকারের রয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে হিসাব করছেন নতুন স্কেলে বেতন কতটা বাড়বে, কিন্তু বাস্তবতা হলো অনেক সিনিয়র কর্মীর বেতন বর্তমান ইনক্রিমেন্টসহ নতুন স্কেলের প্রায় সমপর্যায়ে রয়েছে। ফলে মানুষের হাতে অতিরিক্ত টাকা আসার যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা খুব বেশি প্রকট হওয়ার সুযোগ কম। তবে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি একেবারে নেই, এমনটা তিনি মনে করেন না।

সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধবিমান কেনা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিমান বাহিনীর অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। তিনি বলেন, বর্তমানে বিমান বাহিনীর সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার হিসেবে মিগ-২৯ থাকলেও সেগুলোর অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া বাহিনীর মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত জে-৭ ও এফ-৭ বিমানগুলো মূলত মিগ-২১ এর আপগ্রেডেড সংস্করণ, যা বর্তমানে সেকেলে হয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতও তাদের পুরনো ফ্লিট থেকে সরে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার সংগ্রহের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার বিভিন্ন দেশের অপশন যাচাই-বাছাই করছে। এক্ষেত্রে আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে চীনের প্রস্তাবটি বাংলাদেশের জন্য অধিকতর সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক বলে মনে করছেন তিনি। জাহেদ উর রহমানের ভাষ্যমতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় চীন থেকে এই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের খরচ অনেক কম, যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা অর্ধেকেরও কম খরচে একই ধরনের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। চাকরির আরও তথ্য: যে কথাটা বলতে চাচ্ছি বেতন অনেক বেশি বেড়ে যাবে, মনে হচ্ছে যে, ১০০% যখন স্কেলের উন্নতি হয়ে যাবে, তখন তার বেতন ডাবল হয়ে যাচ্ছে কথাটা কিন্তু এই রকম না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয় দুর্বল অবস্থা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্ভবত, যদি আমি সামরিক এক্সপার্ট নই, কিছু খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা একটা জিনিস হয়তবা অনেকে মিস করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ