নয়াদিল্লিতে আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শুরু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। এই আন্তর্জাতিক আয়োজনকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং ভিভিআইপি রুটগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উচ্চপ্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করেছে, যেখান থেকে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি ও রাজধানীর সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরা সরাসরি এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে এবারের সম্মেলনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ নজর রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এবারের ব্রিকস সম্মেলনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এবারের শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হিসেবে স্থান পেয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে এবারের শীর্ষ সম্মেলনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।