ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দমনে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছিলেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘এক্সিওস’-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনের পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করেন এবং হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি বিমান হামলা চালানোর আহ্বান জানান। তবে মার্কিন প্রশাসন ইয়েমেনে নতুন করে কোনো সামরিক সংঘাতের ফ্রন্ট খুলতে আগ্রহী নয় বলে জানা গেছে।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে মার্কিন বাহিনীকে কেবল ইরান পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দিকে নজর দিতে হবে। ইয়েমেনে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে রিয়াদকে গোয়েন্দা তথ্য ও কৌশলগত লজিস্টিক সহায়তা প্রদানেই বেশি আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিস্থিতি সমন্বয়ের লক্ষ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার গত বৃহস্পতিবার সৌদি আরব সফর করেছেন। তবে রয়টার্স স্বতন্ত্রভাবে এই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি এবং হোয়াইট হাউস বা সৌদি দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ের শুরুর দিকে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ইরানি বেসামরিক বিমান অবতরণে বাধা প্রদানকারী সৌদি যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হওয়ার দাবি করে হুথিরা। এরপর থেকেই লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলা প্রতিহত করতে সৌদি আরব একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্যদিকে নিয়মিত কর্মঘণ্টার বাইরে যোগাযোগ করায় হোয়াইট হাউস এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের ফ্রন্ট খোলার কোনো ইচ্ছা ওয়াশিংটনের নেই।