দেশের অবকাঠামো খাতে টেকসই নির্মাণশৈলী, উদ্ভাবন এবং কাঠামোগত উৎকর্ষকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ‘হোলসিম স্ট্রাকচারাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ চালু করেছে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসি। বুধবার ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুর প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ ও নির্মাণ শিল্পের বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে এই পুরস্কার কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল চৌধুরী। ব্যতিক্রমী প্রকৌশলগত সাফল্য এবং দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রকৌশলীদের স্বীকৃতি দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী বছরের জানুয়ারিতে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইকবাল চৌধুরী বলেন, আধুনিক ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশ বর্তমানে স্মার্ট, জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই নগরায়ণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন সময়ে প্রকৌশলীদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, এই পুরস্কারের মাধ্যমে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ অভিজ্ঞ ও তরুণ প্রকৌশলীদের পরিবেশবান্ধব নির্মাণকাজে উৎসাহিত করতে চায়। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের প্রতিভাবান প্রকৌশলীদের সেতুবন্ধন তৈরি করাই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
পুরস্কারের জন্য মোট চারটি বিভাগ নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো—হাই পারফর্মিং কংক্রিট স্ট্রাকচার, অ্যাডভান্সড কংক্রিট টেকনোলজি অ্যান্ড সার্কুলারিটি, লেজেন্ডারি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং নেক্সট জেনারেশন/ভিশনারি ডিজাইন। এর মধ্যে নেক্সট জেনারেশন/ভিশনারি ডিজাইন বিভাগে ১০ জন উদীয়মান প্রকৌশলীকে পুরস্কৃত করা হবে। এছাড়া অন্য তিনটি বিভাগে একজন করে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে এবং সামগ্রিকভাবে একজন বিজয়ীকে গ্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।
সেরা প্রকল্প বাছাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটি পাঁচটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আগ্রহী প্রকৌশলীরা অনলাইনে তাদের প্রকল্প ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেবেন। তৃতীয় ধাপে জুরিবোর্ডের সামনে উপস্থাপনের জন্য সেরা প্রকল্পগুলো বাছাই করা হবে। চতুর্থ ধাপে জুরিবোর্ডের সদস্যরা বিস্তারিত মূল্যায়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নির্বাচন করবেন এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রকৌশলীরা www.structuralexcellenceawardbd.com অথবা www.lafargeholcim.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রতিযোগিতার বিস্তারিত তথ্য জানতে ও প্রকল্প জমা দিতে পারবেন।