মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে লরির চাপায় নিহত ৫, হাসপাতালে ৪ যাত্রী তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ দিলো সরকার ঢাকা-চট্টগ্রামের জাতীয় গ্রিডে বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয় রাজধানী ও চট্টগ্রামের একাংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ব্যালন ডি’অরে কালো স্যুটে গোলাপি ব্রোচে নজর কাড়লেন ইয়ামাল ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় সংসদ সদস্যপুত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ টোকিওতে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও শক্তি সঞ্চয় করছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, উপকূলের দিকে অগ্রসর হানিফসহ চারজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় বৃহস্পতিবার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে একমত বাংলাদেশ-জাপান

মহানবীর আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদকের নাম

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা, ক্ষমা এবং মানবিকতার আদর্শকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এক বাণীতে তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্ম সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশক। তার আদর্শ অনুসরণ করেই একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠন করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, মানবজাতির হেদায়েত ও কল্যাণের জন্য তিনি সর্বশেষ নবী ও রসূল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাবের ২১ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’

মহানবীর জীবনাদর্শের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা ও দয়া পরোপকারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জাতি, বর্ণ, গোত্র ও সামাজিক অবস্থানের বিভেদ ভুলে তিনি মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন। বিশেষ করে এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার শিক্ষা তিনি দিয়েছেন। তার শিক্ষা মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

বর্তমান বিশ্বের সংকট ও চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও নৈতিক অবক্ষয়ের এই সময়ে মহানবীর মানবিক শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের পথ থেকে দূরে রেখে জ্ঞান, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তুলতে মহানবীর আদর্শ এক অনন্য প্রেরণার উৎস হতে পারে। তরুণরা তার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহানবীর শিক্ষা কেবল ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য নয়, বরং মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের ক্ষেত্রেও এর গভীর তাৎপর্য রয়েছে। ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়বোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন তিনি আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণ করার তাওফিক দান করেন। তার আদর্শ ও শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সত্য, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করুক। বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে শান্তি, ন্যায়, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হোক—এই কামনাই করেছেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার আবির্ভাব মানুষের জন্য সত্য ও আলোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব ও জীবন্ত প্রতিফলন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার জীবনাচরণে আমরা যেমন আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্যের শিক্ষা পাই, তেমনি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মহানুভবতার অপূর্ব প্রকাশ দেখতে পাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ