নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর : যশোর জেলার শার্শা উপজেলার মেয়ে, রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট নারগিস পারভীন মুক্তিকে আগামী দিনে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় যশোরের সর্বস্তরের মানুষ। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেত্রীকে নিয়ে এখন তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
অ্যাডভোকেট নারগিস পারভীন মুক্তি যশোরের গণমানুষের নেতা, সাবেক সফল মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও জনপ্রিয় নেতা শাহিনুর রহমান স্বপনের সহধর্মিণী। প্রায় ২৬ বছর আগে স্বামী হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ঝাণ্ডা তলে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
আন্দোলন ও ত্যাগের ইতিহাস:
ফ্যাসিবাদী শাসন হঠাতে গত ১৭ বছর তিনি রাজপথে ছিলেন এক অকুতোভয় যোদ্ধা। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের লাঠিচার্জে একাধিকবার গুরুতর আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বারবার কারাবরণ ও অসংখ্য মিথ্যা মামলার শিকার হয়েও তিনি পিছপা হননি। এমনকি ঢাকার রাজপথে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের হাতে শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েও তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে অটল ছিলেন।
তৃণমূলের দাবি:
শার্শার গাতিপাড়া গ্রামের এই ‘অগ্নিকন্যা’ বর্তমানে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা জজ কোর্ট ও নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর পিপি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর একমাত্র কন্যা রাফিউন্নিছা স্বপ্নও ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থেকে মায়ের লড়াইকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
যশোরের সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের মতে, বিগত ফ্যাসিষ্ট বিরোধী আন্দোলনে অ্যাডভোকেট মুক্তির অবদান অবিস্মরণীয়। তারা মনে করেন, মাঠের রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই সংগ্রামী নারীকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করলে যশোরের নারী সমাজ ও অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জোর দাবি তুলে বলা হচ্ছে, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে অ্যাডভোকেট নারগিস পারভীন মুক্তিই যশোরের জন্য যোগ্য প্রতিনিধি।