মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি বাড়ল টানা পাঁচ দিন সম্পর্কের দশ বছর পর বিচ্ছেদের পথে প্রীতম ও শেহতাজ নিটার টেক্সটাইল ফেস্টে কনসার্ট ও বিনোদন পার্টনার ‘ওরুভা বাই প্রতিভা’ ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশি ভেবে গুলি: চিকিৎসাধীন দুই ব্যক্তি ২৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ড্রোন হামলা মোকাবিলায় পাকিস্তানের অভিনব কৌশল: মাছ ধরার জাল আইপিইউর এশিয়া–প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ২০২৭ সালে রোজা ৮ ফেব্রুয়ারি ও ঈদ ১০ মার্চ দেশের ৪০ লাখ প্রতিষ্ঠানে চালু বাংলা কিউআর: গভর্নর

সাভারে কাজের প্রলোভনে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায়, মুক্তিপণ আদায়

প্রতিবেদকের নাম

সাভারে এক গ্রিল ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ীকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম (৪৫) নামের ওই ব্যবসায়ী শনিবার রাতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হন। রোববার দুপুরে এ বিষয়ে তিনি আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখান থেকে ব্যবসায়ী রবিউল বাসায় আসেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি রবিউলকে ফোন করে কাজের অর্ডার দেওয়ার কথা বলে আশুলিয়ার ঘোড়াপীর মাজার সংলগ্ন এলাকায় যেতে বলেন। রাত ৯টার দিকে নিজের নয়ারহাট বাসা থেকে মোটরসাইকেলে বাইশমাইল হয়ে রওনা হলে, বাইশমাইল পার হওয়ার পর ১০-১২ জনের একটি দল তাঁর গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে তাঁর চোখ বেঁধে ফেলে এবং মোটরসাইকেল, মুঠোফোন, তিন হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

অপহরণকারীরা এরপর রবিউলের ফোন থেকে তাঁর পরিচিত ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দীর্ঘ দর-কষাকষির পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে এক রিকশাচালককে নয়ারহাট বাসস্ট্যান্ডে পাঠিয়ে আনোয়ারের কাছ থেকে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার পর তারা রবিউলকে স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং তাঁকে অপহরণ করা হয়নি মর্মে স্বীকারোক্তি আদায় করে। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাঁকে অপহরণস্থলে চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তারা চোখ বাঁধা অবস্থায় আমার হাতের বাঁধন খুলে পেছনের দিকে না তাকানোর নির্দেশ দিয়ে চলে যায়।’।

ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম জানান, অপহৃত থাকাকালীন মুক্তিপণের টাকার জন্য দুর্বৃত্তরা তাঁকে কয়েক দফা মারধর করেছে। ছাড়া পাওয়ার পর পরিবারের সহায়তায় তিনি ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এ প্রসঙ্গে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীর দেওয়া লিখিত অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ