এমবাপের জোড়া গোলে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলতে ফ্রান্স। নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এদিন নিজের করে নেন এমবাপে। এদিকে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে, পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে নরওয়ে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল।
নরওয়ের এই ভাইকিং রো থামাবে কে? ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে লালন করা নরওয়ে বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচ জয়ের পর এভাবেই উদযাপন করে আসছে। আইভরি কোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলতে উঠেও, হালান্ড-ওডেগার্ডরা ড্রামের তালে তালে স্মরণ করলেন তাদের জাতিস্বর ভাইকিংদের।
একই দিন হট ফেভারিট ফ্রান্সও সুইডেনের বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে। শেষ ষোলতে উঠতে, সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি।
এমবাপের জোড়া গোলে, ফ্রান্স জিতেছে দাপট দেখিয়ে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ গোল এখন এমবাপের। সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসিকে এ বিশ্বকাপেই ছাড়িয়ে যেতে পারেন ফরাসি তারকা। স্কোরলাইন অবশ্য সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের আধিপত্য বুঝাতে পারবে না।অফসাইড, বারপোস্টের বাধায় একাধিকবার গোল বঞ্চিত হন এমবাপে। প্রথমার্ধের শেষে তিনিই প্রথম লিড এনে দেন।
বিরতির পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বার্কোলা। এর কিছুক্ষণ পর এমবাপে জোড়া পূর্ণ করে ফ্রান্সের জয়ের ব্যবধান বাড়ান। বিশ্বকাপের নকআউটে সবচেয়ে বেশি ৯ গোল এখন এমবাপের। এই রেকর্ড যৌথভাবে এতোদিন রোনালদো নাজারিও ও লিওনিদাসের দখলে ছিল।
এদিকে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে নরওয়ের জয় সহজ ছিল না। অ্যান্তোনিও নুসা প্রথমার্ধের শেষে নরওয়েকে লিড এনে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত গোলে আইভরি কোস্টকে সমতায় ফেরান আমাদ দিয়ালো।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে যাওয়ার পথে, তখন নরওয়ের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন গোল মেশিন আর্লিং হলান্ড। চলতি বিশ্বকাপে এনিয়ে হলান্ডের পঞ্চম গোল এটি।
শেষ ষোলতে নরওয়ে, ৫ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে। ব্রাজিলের বিপক্ষে কখনো হারেনি নরওয়ে। ৪ বারের লড়াইয়ে দুবার জিতেছে। আর ২ ম্যাচ ড্র।