সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা পরিবেশ ধ্বংস এবং মাদক চোরাচালানসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক চাপ তৈরি করছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে আয়োজিত তিন সপ্তাহব্যাপী ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে সৃষ্ট বহুমুখী সংকট দেশের স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। রোহিঙ্গা সংকটের কারণে স্থানীয় পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে এবং মাদক চোরাচালানের যে বিস্তার ঘটছে, তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামরিক ও বেসামরিক পেশাজীবীদের নিয়ে আয়োজিত এই ক্যাপস্টোন কোর্সটি জাতীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ফেলোরা দেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেনাপ্রধানের এই কঠোর বার্তা রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, এই কোর্সটি জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা।