শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বঙ্গভবনে শপথের প্রস্তুতি: ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল তিনবারের জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক রাজা সেন আর নেই, বয়স হয়েছিল ৭০ বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল: নতুন পাঁচ মন্ত্রী ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস বঙ্গভবনে শপথ নিলেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একীভূত হলো বিডা, বেজা ও পিপিপিএ: যাত্রা শুরু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’-এর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা পোশাকশিল্পে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি শ্রমিকনেতাদের

আয়কর রিটার্ন দাখিল: কোন সাতটি খাতের আয় রিটার্নে উল্লেখ করা জরুরি?

প্রতিবেদকের নাম

আয়কর রিটার্ন দাখিল নিয়ে করদাতাদের মধ্যে প্রায়ই নানা প্রশ্ন থাকে। মূলত চাকরি, বাড়িভাড়া, ব্যবসা কিংবা ব্যাংকের মুনাফাসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্জিত আয় রিটার্নে প্রদর্শন করতে হয়। তবে মনে রাখা জরুরি যে, কোনো নির্দিষ্ট খাতে আয় থাকলেই যে কর দিতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা মূলত করদাতার বার্ষিক আয় এবং আইনের নির্ধারিত বিভিন্ন শর্তের ওপর নির্ভর করে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন নিয়মানুযায়ী, এখন বছরজুড়েই রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে করদাতারা যদি সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করেন, তবে তারা নির্ধারিত বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।

একজন করদাতার আয় সাধারণত সাতটি প্রধান খাতে বিভক্ত। এর মধ্যে রয়েছে চাকরি থেকে প্রাপ্ত বেতন, ভাতা ও বোনাস; বাড়ি, ফ্ল্যাট বা দোকান ভাড়া থেকে আয়; কৃষিকাজ ও ফসল উৎপাদন; ব্যবসা বা পেশাগত কার্যক্রম; সম্পদ বা বিনিয়োগ বিক্রয়লব্ধ মূলধনি আয়; ব্যাংকের সুদ, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও লভ্যাংশ; এবং রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি বা সম্মানী। এসব খাতের আয় যথাযথ নথিপত্রসহ রিটার্নে উল্লেখ করতে হয়।

রিটার্ন দাখিল এবং আয়কর পরিশোধ দুটি ভিন্ন বিষয়। আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করা আইনত বাধ্যতামূলক। যেমন—আগের তিন বছরে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে, কোনো ফার্মের অংশীদার হলে, কোম্পানির পরিচালক বা কর্মচারী হলে, সরকারি চাকরিজীবী হলে কিংবা আইনে উল্লেখিত অন্যান্য বিশেষ ক্ষেত্রে রিটার্ন জমা দিতে হয়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পুরুষ করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। নারী এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতাদের জন্য এই সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং গেজেটেড যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, কোনো করদাতার প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে তার বাবা-মা বা অভিভাবক নিয়মিত করমুক্ত সীমার বাইরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন। চাকরির আরও তথ্য: কোনো সম্পদ বা বিনিয়োগ বিক্রি করে লাভ হলে তা মূলধনি আয়ের আওতায় পড়তে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ