শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ মিনারে সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের আলটিমেটাম ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ: পাইলট প্রকল্পের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্বার্থ ও আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি ডিসিসিআইয়ের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে ক্যারিয়ার এক্সপোর ষষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত সিলেটের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ কানাডার পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ, পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা

পোশাকশিল্পে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি শ্রমিকনেতাদের

প্রতিবেদকের নাম

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের দোহাই দিয়ে পোশাকশ্রমিকদের ছাঁটাই করা বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নেতারা। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তাঁরা এই দাবি জানান। সমাবেশে বক্তারা শিল্প টিকিয়ে রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, শ্রম আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল পল্টন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

সংগঠনটির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতারের সভাপতিত্বে এবং সহসভাপ্রধান নুরুল ইসলাম পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য দেন শ্রমিকনেতা মিজানুর রহিম চৌধুরী, হযরত বিল্লাল, সাবিনা আক্তার ও মামুন ইসলাম। এছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিফ দেওয়ান এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সৈকত আরিফ।

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, গত দুই বছরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পোশাকশিল্প বড় ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় শ্রমিকদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তাই শ্রমিক ও শিল্পকে বাঁচাতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তাসলিমা আখতার বলেন, চলতি বছর শ্রম আইনে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষায় সহায়ক। তবে এসব আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হলে তা কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, উৎপাদন কমে যাওয়ার দায়ভার কোনোভাবেই শ্রমিকের ওপর চাপানো যাবে না। শিল্পের অব্যবস্থাপনা বা জ্বালানি সংকটের বোঝা শ্রমিককে বহন করতে বাধ্য করে ছাঁটাই করা অমানবিক। শ্রমিককে রক্ষা করার মাধ্যমেই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

শ্রমিকনেতারা আরও জানান, শ্রম আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের বিধান রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকের মজুরি সমন্বয় করা জরুরি। দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করে দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানান তাঁরা। এছাড়া কর্মহীন শ্রমিকদের দ্রুত পুনর্বাসন ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত না করলে শ্রম খাত বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে তাঁরা সতর্ক করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংগঠনটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্যদিকে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে পোশাকশিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে সেগুলো বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে আইনটি কাগজে–কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই শিল্প ও শ্রমিকের স্বার্থে এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে দীর্ঘ অপেক্ষার পরিবর্তে মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, উৎপাদনশীলতা ও শ্রমিকের জীবনমানের পরিবর্তন নিয়মিত বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ