বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে ডনাল্ড ট্রাম্পের ধন্যবাদসূচক চিঠি হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর ঘটনায় সালিসের মাধ্যমে আর্থিক সমঝোতার অভিযোগ ইরানের দাবি: মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ভূপাতিত হয়েছে ২০০টির বেশি বিমান শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে পিকআপ উল্টে বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত সিলেটে চালু হলো দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিপিএল না হওয়ার ক্ষতিপূরণ ও ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিবি-কোয়াব বৈঠক ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য সময়সূচি: জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে কেবল দুই সবজি প্রেক্ষাপট: বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে শহীদ জিয়াউর রহমান প্রথমেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকার ফিরিয়ে দেন। তার এই উদ্যোগের ফলেই বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়। আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে শহীদ জিয়ার অবদানকে তিনি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সম্মোহনী নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্বের কারণেই বিএনপি দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল। এছাড়া, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের কথাও তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। যখনই দেশে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, তখনই দলের নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, জনগণ যখনই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন ও নারীশিক্ষার প্রসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলো বিএনপি সরকারের আমলেই নেওয়া হয়েছিল।

বর্তমান সরকার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনগণের রায়ে বিএনপি আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই দলের লক্ষ্য। বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিশেষে, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে দেশমাতৃকার সেবায় নেতাকর্মীদের আগামী দিনেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আজকের দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপির অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ