শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাজেক থেকে ফেরার পথে আতঙ্কে পর্যটকরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ড. আব্দুল মঈন খানকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি সরাইল থানায় ওসি ও রুমিন ফারহানার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ নতুন হামলা হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনায় আঘাতের হুমকি ১৯৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করল এনসিপি নতুন হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও এআই অবকাঠামো ধ্বংসের ১৪ বছর বয়সে বুর্জ খলিফায় এআই স্টার্টআপের মালিক জয়নাম রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করল সৌদি সৌদিতে নিরাপত্তাঝুঁকি: ঢাকা থেকে দাম্মাম-রিয়াদ রুটের ফ্লাইট স্থগিত

পিওকে ভারতের দখলে নেওয়া উচিত, যাদবপুরে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

প্রতিবেদকের নাম

পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন আজাদ কাশ্মীর বা পিওকে ভারতের মূল ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে পুনরায় দখলে নেওয়ার পক্ষে মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি তোলেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এবিভিপি ও এসএফআইয়ের মধ্যে হওয়া সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পাসে ‘হুমকির সংস্কৃতি’ বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এই সংস্কৃতির অবসান ঘটানোর এখনই উপযুক্ত সময়। ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে জাতীয়তাবাদ পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার করে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে স্লোগান দেওয়ার আগে তাদের ‘ফ্রি পিওকে’ বা পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরের স্বাধীনতার দাবি তোলা উচিত।

শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তোলেন, কেন ক্যাম্পাসে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ বা ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’-এর মতো স্লোগান দেওয়া হচ্ছে? তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ফিলিস্তিন নিয়ে কথা বলার আগে পিওকে মুক্ত করার দাবি তোলা প্রয়োজন এবং ভারত সরকার অবশ্যই সেই কাশ্মীর ফেরত নেবে।

তৃণমূল ও বাম সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদ এবং রাজ্যের ঐতিহ্যকে অবমূল্যায়নের অভিযোগ তুলে শুভেন্দু দাবি করেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্টদের প্রভাবে ছিল। তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস এবং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্টদের বাড়িতে এসব বরেণ্য ব্যক্তিত্বের ছবিও খুঁজে পাওয়া যাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ