শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদি পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে: ট্রাম্প বিএনপি সরকারের ৬ মাসে সরকারি খাদ্য মজুত বাড়ল দেড় লাখ মেট্রিক টন নয়াদিল্লিতে আজ শুরু হচ্ছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন প্রেক্ষাপট: পুলিশের ৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার নেপথ্যে চীনা স্যাটেলাইট ছবি: চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ তিন দশকের দাম্পত্য: মৌসুমীর প্রতি ভালোবাসার কথা জানালেন ওমর সানী তরুণরাই পারে দেশকে বদলে দিতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেয়ায় ৩২ জন গ্রেপ্তার

তিন দশকের দাম্পত্য: মৌসুমীর প্রতি ভালোবাসার কথা জানালেন ওমর সানী

প্রতিবেদকের নাম

ঢালিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি মৌসুমী ও ওমর সানীর দাম্পত্য জীবনের তিন দশক পেরিয়ে গেছে। ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজন ও দুই চলচ্চিত্র পরিচালকের উপস্থিতিতে তাঁরা গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের দেড় বছর পর ১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট তাঁদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ ৩১ বছরের এই পথচলায় সংসার, সন্তান, অভিমান কিংবা বিচ্ছেদের গুঞ্জন—সবকিছু পেরিয়ে তাঁরা এখনো একসঙ্গে আছেন। সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় মৌসুমীর প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন ওমর সানী।

মৌসুমীর কোন বিষয়টি তাঁকে সবচেয়ে বেশি টানে—এমন প্রশ্নের জবাবে সানী বলেন, মৌসুমীর যত্নশীলতা ও জেদ তাঁকে মুগ্ধ করে। তিনি জানান, মৌসুমী অনেক কথা মনের ভেতর জমিয়ে রাখতে পারেন, যা সানী পারেন না। সানীর ভাষ্যমতে, তাঁর নিজের ধৈর্য কিছুটা কম হলেও মৌসুমীর ধৈর্য অনেক বেশি। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মূলমন্ত্র হিসেবে তিনি বিশ্বাস ও ত্যাগের ওপর জোর দেন। সানী বলেন, একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও স্যাক্রিফাইসই তাঁদের সম্পর্কের ভিত্তি, যা তাঁদের মধ্যে বিদ্যমান। এছাড়া মৌসুমীর বকাঝকা এবং সংসারের প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধকেও তিনি ইতিবাচকভাবে দেখেন। সব মিলিয়ে মৌসুমীকে তিনি একজন অত্যন্ত কমফোর্টেবল মানুষ হিসেবে অভিহিত করেন।

দাম্পত্য জীবনে মাঝেমধ্যে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়ালে মৌসুমীর প্রতিক্রিয়া কেমন হয়, জানতে চাইলে ওমর সানী বলেন, মানুষ হিসেবে তাঁদের ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এসব নিয়ে যখন বাইরে লেখালেখি হয়, তখন মৌসুমী শান্তভাবে বলেন, হয়তো এসব লিখে বা বলে কারো সংসার চলে, হয়তো দুই পয়সার বিনিময়ে তারা চাল-ডাল কিনে খায়। সব আলোচনা-সমালোচনার ঊর্ধ্বে গিয়ে সানী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, এই বয়সে এসেও তিনি ফারদীন ও ফাইজার আম্মু মৌসুমীকে ভালোবাসেন।

তাঁদের সম্পর্কের শুরুর গল্পটা অবশ্য এতটা সহজ ছিল না। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মহরত অনুষ্ঠানে প্রথম দেখা হয় তাঁদের। এরপর পরিচালক শেখ নজরুল ইসলামের হাত ধরে একটি ছবির প্রস্তাব নিয়ে মৌসুমীর মোহাম্মদপুরের বাসায় যান সানী। কিন্তু অন্য ছবির ব্যস্ততার কারণে মৌসুমী সেই প্রস্তাবে রাজি হতে পারেননি, যা সানীকে কিছুটা হতাশ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তির পর কয়েকজন প্রযোজকের উদ্যোগে ‘দোলা’ ছবিতে প্রথমবার জুটি বাঁধেন তাঁরা।

সিলেটে ‘দোলা’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য হলেও সেই দূরত্বই একসময় ভালো লাগায় রূপ নেয়। মৌসুমীর ব্যক্তিত্ব, তাঁর পরিবারের আন্তরিকতা ও আচরণ সানীকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছিল। সেই মুগ্ধতা থেকেই পরবর্তীতে তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ এই সময়ে সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে মৌসুমী ও ওমর সানী তাঁদের সংসার জীবনের ছন্দ ধরে রেখেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ও একটা কথা অনেক জমাট করে রাখতে পারে, আমি পারি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমার একটু ধৈর্য কম, ওর একটু বেশি আছে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেটা আমাদের মধ্যে আছে।’ মৌসুমীর আরেকটি গুণের কথাও উল্লেখ করেন ওমর সানী, ‘মৌসুমী মাঝেমধ্যে বোকামির জন্য আমাকে বকাটকা দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বলে, তুমি তো এটা লস করছ, এটা করছ, এটাও করছ—দিনশেষে আমাদের কি কোনো জায়গা নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর আবার নিজেই বলবে—কী লাগবে, কী রকম লাগবে, কী করবা, কী করতে চাও। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন খারাপ নিয়েই সেদিন ফিরেছিলেন ওমর সানী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ