বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা: জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি পুলিশের ৬৭ জন পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে এএসপি হলেন সীমান্তের ওপার থেকে গার্মেন্টসে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী: খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই উচিত জবাব দেবে জনগণ লাইপজিগকে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরল ম্যানচেস্টার সিটি দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের প্রাণহানি সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ভিনগ্রহের প্রাণীর খোঁজে নতুন রেডিও সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী নিহতের ঘটনায় বাসচালকসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রতিবেদকের নাম

রাজধানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেন নামের এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাসচালক সোহেল রানা (৪০), সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন (২৮) এবং হেলপার মোহাম্মদ মনির হোসেন (১৮)। রোববার ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে বনানীর এয়ারপোর্টগামী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। বনানী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহের মুখ ও দুই হাত স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ পাওয়া যায়। সুরতহাল শেষে মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের একটি বাসকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করে। এরপর জামালপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসটি জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে সুপারভাইজার সাজু ও হেলপার মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে পৃথক অভিযানে বাসচালক সোহেল রানাকেও আটক করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুরের দিকপাইক বাসস্ট্যান্ড থেকে ইসমাইলকে যাত্রী হিসেবে বাসে তোলা হয়। ঢাকা আসার পথে সুপারভাইজার সাজু ভাড়া চাইলে ইসমাইল তার লুঙ্গির কোছা থেকে টাকা বের করেন। এসময় তার কাছে থাকা বেশ কিছু টাকা সুপারভাইজারের নজরে পড়ে। বিষয়টি তিনি বাসচালককে জানান এবং ওই যাত্রীর কাছে বড় অংকের টাকা থাকতে পারে বলে ধারণা করেন। এরপরই তারা ইসমাইলকে লুটে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাসটি চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে ইসমাইলকে না নামিয়ে অন্যান্য যাত্রীদের গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ইসমাইলকে নিয়ে ঢাকার দিকে আসার সময় সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে তার মুখ ও হাত স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে ফেলেন এবং গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে তারা এয়ারপোর্ট থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বনানীর দিকে যান এবং পিলার নম্বর ১৭৯ ও ১৮০-এর মাঝামাঝি জায়গায় মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড রয়েছে। সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমনের বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতি মামলা এবং বাসচালক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতি ও দুটি মাদক মামলাসহ দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাজধানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ বাঁধা অবস্থায় ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর আবার উল্টো পথে এয়ারপোর্টের দিকে যাওয়ার সময় পিলার নম্বর ১৭৯ ও ১৮০-এর মাঝামাঝি জায়গায় ইসমাইলের মৃতদেহ ফেলে রেখে চলে যান’—উল্লেখ করেন মো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফুটেজ পর্যালোচনার একপর্যায়ে একটি বাসের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্ভবত তিনি কোনো ব্যবসায়ী হতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ