সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাগর-রুনি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য: সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর পরিকল্পনা সরকারের: বিমানমন্ত্রী সাগর-রুনি মামলার তদন্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন উদ্যোগ ১২ বছর ধরে ছেলের অপেক্ষায় রৌশন আরা, গুমের শিকার যুবদল নেতার সন্ধানে মায়ের আকুতি নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে চলছে বিশেষ অভিযান গুমের মাস্টারমাইন্ডদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জামায়াত আমিরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে তলব করল দুদক জাতীয় সংসদে পাসের অপেক্ষায় সম্পত্তি হস্তান্তর ও মানবাধিকার কমিশন বিল চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনদের জিম্মায় দিল পুলিশ ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধের পরিকল্পনা সরকারের

চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনদের জিম্মায় দিল পুলিশ

প্রতিবেদকের নাম

চাঁদপুর শহরের আখন্দ মার্কেটের এস কে জুয়েলার্সের মালিক পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের স্বর্ণালংকার ও টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাতজন গ্রাহকের ভাষ্যমতে, তাঁরা বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীয় অর্থের বিনিময়ে স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও লকেটসহ নানা অলংকার পিন্টুর দোকানে বন্ধক রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মূল টাকা পরিশোধ করে অলংকার ফেরত চাইতে গেলে পিন্টু দাস নানা টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে গত ১৯ আগস্ট রাতে নিজের বাসা ও দোকান তালাবদ্ধ করে সপরিবার আত্মগোপনে চলে যান তিনি।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের লিখিত অভিযোগ এবং বাসার মালিকের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৮ আগস্ট ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারকে উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বর্ণালংকার ও ২৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় মো. রাসেল খান নামের এক ভুক্তভোগী বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় দণ্ডবিধির প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের ধারায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার পিন্টু দাসকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ পিন্টু দাসের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও হেফাজতে নিয়েছিল। তবে ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ না পাওয়ায়, তাঁদের পিন্টু দাসের বাবা সুনীল দাসের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে সাতজনের স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এবং সেই ভিত্তিতেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে পুলিশ আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকার উদ্ধারের জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। প্রতারণার মামলায় পিন্টু দাস কারাগারে থাকলেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাঁদের স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ