মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্নীতি আড়াল করতে গফরগাঁওয়ের রাবেয়া স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সাদা কাগজে সাক্ষর দিতে বলেন দুর্নীতিবাজ আফাজ উদ্দিন ও সাখাওয়াত হোসেন “সতর বাড়ী গ্রামে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার জন্য গফরগাঁও এর মাননীয় সংসদ সদস্যের নিকট এলাকাবাসীর দাবী “ চাঁদপুরের মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কার্গোডুবিতে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে ভবিষ্যতে জনগণ আর রাজনীতিবিদদের সম্মান করবে না: জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরত আনতে পঞ্চদশ সংশোধনীর আপিলের রায় কাল ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় পুরস্কার সম্মাননা প্রদান ছাতকে ইউটিউব দেখে আঙুর চাষে বাজিমাত প্রবাসফেরত তরুণের সফলতার গল্প পত্নীতলায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩ মাদক ব্যবসায়িকে আটক করেছে পুলিশ প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন দাবি, মেয়াদ শেষের আগেই, অন্যথায় সাংবাদিকদের কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

দুর্নীতি আড়াল করতে গফরগাঁওয়ের রাবেয়া স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সাদা কাগজে সাক্ষর দিতে বলেন দুর্নীতিবাজ আফাজ উদ্দিন ও সাখাওয়াত হোসেন

প্রতিবেদকের নাম

গফরগাঁও প্রতিনিধি: গফরগাঁও এর বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আফাজ উদ্দিন এবং শরীর চর্চা শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষকদের সাদা কাগজে সাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে কয়েক জন শিক্ষক এর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ আফাজ উদ্দিন দীর্ঘ দিন স্কুলের দায়িত্ব থাকাকালীন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ সহ গোপনে কমিটি গঠন এমন কি গোপনে রেগুলেশন করে এক দিনে ৩/৪ টি রেজিলেশনে সাক্ষর গ্রহণ ইত্যাদির অভিযোগ পাওয়া যায়। এই সকল বিষয় এলাকায় আলোরণ সৃষ্টি করেছে। এরই প্রেক্ষিতে মোঃ আফাজ উদ্দিন তাহার অন্যায়, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, গোপনে কমিটি গঠন ও রেগুলেশন এ সাক্ষর নেওয়া ইত্যাদি অপরাধ হতে ভবিষ্যতে রক্ষা পাওয়ার জন্য মোঃ সাখাওয়াত হোসেন কে নিয়ে একটি চক্র তৈরি করেছেন ও স্কুলের ক্ষতি সাধন করার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে মোঃ আফাজ উদ্দিন আগামী ১৩/০৭/২০২৬ ইং চাকরী হতে অবসরে যাচ্ছেন।সরকারী বিধি মালা অনুযায়ী মোঃ আফাজ উদ্দিন এর পর যিনি সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে আছে তিনি ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব ভার গ্রহণ করবেন মর্মে অভিবাবক ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানাযায় তার পর ও এডহক কমিটির সভাপতির সিদ্ধান্তকে ও এলাকাবাসী, যুব সমাজ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এলাকা সূত্রে আর ও জানা যায়, মোঃ আফাজ উদ্দিন তাহার করা বিভিন্ন অপকর্ম হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্কুলের জুনিয়র শরীর চর্চা শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সঙ্গে চুক্তি করে তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর পদে বসাবেন বলে একটি লেনদেনের মাধ্যমে মৌখিক চুক্তি করেছেন, বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় এসেছে। এ ছাড়া জুনিয়র অন্যান্য শিক্ষকদের নিকট হতে সাদা কাগজে ইতিপূর্বে মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাদা কাগজে সাক্ষর নিয়েছেন মর্মে শিক্ষক ও এলাকা সূত্রে জানা যায় এমনকি উক্ত সাক্ষর দেওয়ার পর মোঃ আফাজ উদ্দিন মিষ্টি বিতরণ করেন শিক্ষকদের মধ্যে।

অপর দিকে এলাকার সাধারণ জনগণ, যুব সমাজ, অভিবাবক গণ আগামী ১৩ তারিখ মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর অন্যায়, দুর্নীতি, গোপনে কমিটি গঠন ও রেজুলেশনে সাক্ষর গ্রহণ সহ স্কুল ক্ষতি করার পায়তারা করায় ইত্যাদির বিচার এর দাবিতে স্কুল মাঠে বিক্ষোভ এর ডাক দিয়েছেন। তবে স্কুলের দাতা পরিবার ভিক্ষুব সমাবেশের ডাক কে সমর্থন জানিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর নিকট মোঃ আফাজ উদ্দিন এর অপকর্মের দৃষ্টান্ত মুলক বিচার দাবী করেছেন।

অপর দিকে স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে সাক্ষর নিয়া আতঙ্ক বিরাজ করছে।কিন্তু কি কারণে মোঃ আফাজ উদ্দিন এর দেওয়া সাদা কাগজে সহকারী শিক্ষক গণ সাক্ষর করেছেন তাহার সঠিক বক্তব্য দিতে পারেন না সাক্ষর দেওয়া শিক্ষকগণ। এ দিকে কজন সহকারী শিক্ষক সহ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১০ টা এর মধ্যে স্কুলের অফিসে উপস্থিত না থাকিয়া ও মোঃ আফাজ উদ্দিন এর দুর্নীতির কে সমর্থন করায় ও তাহার ছত্র ছায়ায় থাকিয়া দৈনিক হাজিরা খাতায় সাক্ষর করার অনুমতি দিয়ে আসতেছেন মোঃ আফাজ উদ্দিন।

অনুরূপ ভাবে সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান অবসরে যাওয়ার সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য প্রার্থী হয়েছিলেন শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। সে সময় তৎকালীন সভাপতি সহকারী বিধিমালা এর প্রতি সম্মান রেখে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আফাজ উদ্দিন সিনিয়রিটি কে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন। মোঃ সাখাওয়াত হোসেন একজন অনভিজ্ঞ, অযুগ্য ও বিশৃঙ্খলা কারী শিক্ষক, শরীর চর্চা শিক্ষক হিসেবে ও তাহার নেই ভাল অভিজ্ঞতা। তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের সময় তৎকালীন নিয়মিত কমিটি কে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে চাকরী লাভ করেন মর্মে এলাকা সূত্রে জানা যায়।

অপরদিকে জানা যায়, মোঃ আফাজ উদ্দিন এর সূত্রে মোবাইল কনভারসেশন এত মাধ্যমে জানাযায়, অত্র এডহক কমিটি গঠন করতে বিভিন্ন অফিসে দিতে হয়েছে নাকি দুই লক্ষ টাকা। কিন্তু দুই লক্ষ টাকা যিনি দিয়েছে, তিনি স্কুলের কোন স্বার্থে অত্র টাকা খরচ করেছে মর্মে প্রশ্ন থেকে যায়। যেখানে স্কুলের অনেক অভিবাবক সদস্য রয়েছে শিক্ষিত, সমাজ সেবক, সেখানে অভিবাবক সদস্য করা হয়েছে যিনি নিজ সাক্ষর টি ও দিতে পারেন না, একটি মতামত দিতে পারেন না, এমন ব্যক্তি কে! এ সকল কমিটি স্কুলের কোন স্বার্থে করেছেন মোঃ আফাজ উদ্দিন তাহা ও প্রশ্ন থেকে যায় জাতির বিবেকের কাছে। প্রশ্ন থেকে যায়, কোন স্বার্থে স্কুলের সি সি ক্যামেরা,ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ইত্যাদি বন্ধ করে রেখেছেন মোঃ আফাজ উদ্দিন। প্রশ্ন থেকে যায় কোন স্বার্থে ইতিপূর্বে স্কুলের পরিত্যক্ত দুটি ভবন পঁচিশ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করেছেন মোঃ আফাজ উদ্দিন বা সাবেক কমিটি, প্রশ্ন থেকে যায়,বিক্রি করার পূর্বে কি গাস বিক্রির বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বা সাবেক কমিটি। প্রশ্ন থেকে যায়, ঢাকা হতে স্কুলের দাতা সদস্য স্কুলের স্বার্থে অনেক সম্পদ ও নগদ অর্থ দেওয়ার পর কি কমিটিতে সে সম্পদ বা নগদ দেওয়া অর্থ গুলি উপস্থাপন করা হয়েছিল, বরং সম্পদ গুলি রক্ষা না করে ধ্বংস করতেছেন মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। প্রশ্ন থেকে যায়, নষ্ট করা এই সম্পদ এর দায় কি মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন নিবেন না! প্রশ্ন থেকে যায়, মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন যুগশাজস করে বর্তমান এডহক কমিটির ২/৩ টি রেগুলেশন করেছে, সভাপতি কি অবগত আছেন, রেগুলেশন কি স্কুলে সকল সদস্যের উপস্থিতিতে করা হয়েছে তাহা ও প্রশ্ন থেকে যায়, কিন্ত নোটিশ ও রেগুলেশন এর মধ্যে উল্লেখ বা লিখিত সিদ্ধান্তের বিষয় গুলো কি সভাপতি সার্বিক অবগত আছেন বা তিনি কি স্বীকার করবেন বা এলাকাবাসী, যুব সমাজ, অভিবাবক গণ কে কি অবগত করেছেন মোঃ আফাজ উদ্দিন যিনি এডহক কমিটির সচিব বা যে তারিখে সভার নোটিশ দেখানু হয়েছে সে তারিখ কি সভাপতির অনুমোদিত বা সভাপতি কি উপস্থিত ছিলেন বিষয় গুলি ও প্রশ্ন রেখে যায়।

এই সকল কারণে স্কুলের অভিবাবক, এলাকার সাধারণ জনগণ, যুব সমাজ ও প্রতিষ্ঠাতা পরিবার তৎসহ দাতা পরিবার প্রত্যাশা করেন মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ক্ষমতা অপব্যবহার করে,অন্যায় কে আড়াল করার জন্য এবং অন্যায় এর মাধ্যমে পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এবং স্কুলের ক্ষতি সাধন করার জন্য স্কুলের সুনাম নষ্ট করা, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা, এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, সরকারী বিধি মালা কে অমান্য করে অন্যায়, অপরাধ ও দুর্নীতি কে সমর্থন করা ইত্যাদির কারণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর নিকট মোঃ আফাজ উদ্দিন ও মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবী জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ