সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূমিকম্পের পর ধেয়ে আসছে বড় ঘূর্ণিঝড়, ঝুঁকিতে যেসব অঞ্চল আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে দুবাইতে ৩০ জন উদ্যমী ও অগ্রগামী সফল পুরুষকে ‘ম্যানস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান আফটারশকের সম্ভাবনা আছে কি না, জানালেন আবহাওয়াবিদ গফরগাঁও ভূমি অফিসে আওয়ামীলীগ সরকারের সময় ৩২৫৬ নং জাল দলিল কে অর্থের বিনিময়ে বৈধ দলিল বলে নামজারি বাতিল অ‌তি‌রিক্ত সিম যেভা‌বে বন্ধ কর‌বেন দুর্নীতিবাজ ডিপ্লোমা ইঞ্জিঃ মনোয়ার হোসেনের বিলাসী জীবন।। রয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদ রমনা বিএনপির কার্যালয় ভেঙে আ.লীগ নেতাদের মার্কেট, ১৬ বছর পর মামলা বিতর্কিত উপদেষ্টাদের পদত্যাগ চায় বিএনপি সর্বস্বান্ত মানুষ ওষুধ কোম্পানির বেপরোয়া মুনাফার ফাঁদে বৃষ্টি কবে থামবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

ভূমিকম্পের পর ধেয়ে আসছে বড় ঘূর্ণিঝড়, ঝুঁকিতে যেসব অঞ্চল

প্রতিবেদকের নাম
add

অনলাইন ডেক্স ঃ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন দফা ভূমিকম্পের পর এবার বঙ্গোপসাগরে বড় একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। শুক্রবারের শক্তিশালী ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটার শকে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে থাকার মধ্যেই নতুন এই আবহাওয়া সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া একটি লঘুচাপ আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। অনুকূল পরিবেশে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগরে প্রবেশ করে নিম্নচাপ এবং পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৫–২৭ নভেম্বরের মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে এবং পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি ঘনীভূত হয়ে ২৮–২৯ নভেম্বরের মধ্যে মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে এবং তখন এটি একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, পরিবেশ অনুকূলে থাকলে ঘূর্ণিঝড়টি দিক পরিবর্তন করে উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

সর্বশেষ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ১–২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ উপকূলের যেকোনো অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে এখনই আঘাতের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। আগামী কয়েক দিনের পর্যবেক্ষণের পর এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশে ৩০ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে একটি বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হতে পারে, যা দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হতে পারে।

প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তুলনায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হতে পারে।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ