মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিলবোর্ডের বাতিও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ রায়গঞ্জে বসতবাড়ী পুনঃ নির্মানে বাঁধা প্রদান ও উচ্ছেদের পায়তারা রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা ফুটপাত অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্য রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া বাস ডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ গফরগাঁও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর পদোন্নতি রায়গঞ্জে হত্যা উদ্দেশ্য রাস্তা অবরোধ করে ব্যাবসায়ী পিতা পুত্রকে মারপিট, থানায় মামলা, গ্রেফতার ১ রায়গঞ্জে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিএনপি ও এলাকাবাসীর কর্মসূচি গফরগাঁও ভূ‌মি অ‌ফি‌সের দুনী‌তির অ‌ভি‌যোগ জাতীয় রিলস বিজয়ী ইমন সাদীর প্রথম চলচ্চিত্র ‘খেয়া’: স্বপ্ন এখন রুপালি পর্দায় যশোরের সংরক্ষিত নারী আসনে রাজপথের ‘অগ্নিকন্যা’ অ্যাডভোকেট মুক্তিকে চায় এলাকাবাসী

ভূমিকম্পের পর ধেয়ে আসছে বড় ঘূর্ণিঝড়, ঝুঁকিতে যেসব অঞ্চল

প্রতিবেদকের নাম
add

অনলাইন ডেক্স ঃ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন দফা ভূমিকম্পের পর এবার বঙ্গোপসাগরে বড় একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। শুক্রবারের শক্তিশালী ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটার শকে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে থাকার মধ্যেই নতুন এই আবহাওয়া সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া একটি লঘুচাপ আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। অনুকূল পরিবেশে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগরে প্রবেশ করে নিম্নচাপ এবং পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৫–২৭ নভেম্বরের মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে এবং পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি ঘনীভূত হয়ে ২৮–২৯ নভেম্বরের মধ্যে মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে এবং তখন এটি একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, পরিবেশ অনুকূলে থাকলে ঘূর্ণিঝড়টি দিক পরিবর্তন করে উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

সর্বশেষ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ১–২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ উপকূলের যেকোনো অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে এখনই আঘাতের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। আগামী কয়েক দিনের পর্যবেক্ষণের পর এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশে ৩০ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে একটি বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হতে পারে, যা দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হতে পারে।

প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তুলনায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হতে পারে।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ