শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার ” বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল হাই স্কুল” কে জাতীয়করণের দাবী এলাকাবাসীর যমুনার নদীতে গোসল করতে নেমে ২ মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু রায়গঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১: গ্রেফতার দুই দুর্নীতি আড়াল করতে গফরগাঁওয়ের রাবেয়া স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সাদা কাগজে সাক্ষর দিতে বলেন দুর্নীতিবাজ আফাজ উদ্দিন ও সাখাওয়াত হোসেন “সতর বাড়ী গ্রামে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার জন্য গফরগাঁও এর মাননীয় সংসদ সদস্যের নিকট এলাকাবাসীর দাবী “ চাঁদপুরের মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কার্গোডুবিতে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে ভবিষ্যতে জনগণ আর রাজনীতিবিদদের সম্মান করবে না: জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরত আনতে পঞ্চদশ সংশোধনীর আপিলের রায় কাল ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় পুরস্কার সম্মাননা প্রদান

দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি আরিফুল ইসলাম আরিফকে মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলের

প্রতিবেদকের নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র আসন্ন ঢাকা মহানগর কমিটির পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, বিশ্বস্ত ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। এই তালিকায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে বারবার উঠে আসছে এক অকুতোভয় লড়াকু সৈনিকের নাম; তিনি হলেন অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, রমনা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ১৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ।রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলের নীতিনির্ধারকদের মতে, ঢাকা মহানগর বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে হলে আরিফুল ইসলাম আরিফের মতো পরীক্ষিত নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।

ছাত্রজীবন থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে যুক্ত আরিফ ভাই দলের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও জনপ্রতিনিধিত্বআরিফুল ইসলাম আরিফ কেবল একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও তার রয়েছে গভীর জনপ্রিয়তা। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ১৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হিসেবে অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে তিনি নিজেকে এক জনবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এছাড়া, সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং রমনা থানা বিএনপির সভাপতি হিসেবে সফলতার সাথে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।জেল-জুলুম ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্তদলের আদর্শ রক্ষা এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে গিয়ে আরিফুল ইসলাম আরিফ বারবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। স্বৈরাচারী শাসনের রোষানলে পড়ে তিনি অসংখ্য মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন, হুলিয়া মাথায় নিয়ে ঘুরেছেন এবং দীর্ঘ সময় জেল-জুলুম খেটেছেন। কিন্তু শত অত্যাচার, অমানুষিক নির্যাতন এবং জেল-জুলুমের পরেও তিনি দলের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হননি। পদ-পদবি বা ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থকেই সবসময় বড় করে দেখেছেন এই আজন্ম জাতীয়তাবাদী নেতা।দল সুসংগঠিত করার দাবিআসন্ন মহানগর কমিটিতে তার মতো একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনীতিবিদকে দল মূল্যায়ন করবে—এটাই এখন তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মীদের প্রধান প্রত্যাশা। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঢাকা মহানগর বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে আরিফুল ইসলাম আরিফের মতো দূরদর্শী ও অভিজ্ঞ নেতার খুবই প্রয়োজন। তিনি তৃণমূলের প্রতিটি কর্মীর পালস বোঝেন এবং সবাইকে এক সুতোয় গেঁথে রাখার অসামান্য সাংগঠনিক ক্ষমতার অধিকারী।তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, যারা দলের কঠিন সময়ে রাজপথে ছিলেন এবং জেল-জুলুম খেটেছেন, তাদের উপযুক্ত মূল্যায়ন করা হলে দলের ভেতরে চেইন অব কমান্ড এবং শৃঙ্খলা আরও মজবুত হবে। আরিফুল ইসলাম আরিফ ভাইকে ঢাকা মহানগর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এনে দল সুসংগঠিত করার সুযোগ দিলে, তা হবে রাজপথের ত্যাগী কর্মীদের প্রতি এক অনন্য সম্মান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ