বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে ডনাল্ড ট্রাম্পের ধন্যবাদসূচক চিঠি হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর ঘটনায় সালিসের মাধ্যমে আর্থিক সমঝোতার অভিযোগ ইরানের দাবি: মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ভূপাতিত হয়েছে ২০০টির বেশি বিমান শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে পিকআপ উল্টে বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত সিলেটে চালু হলো দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিপিএল না হওয়ার ক্ষতিপূরণ ও ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিবি-কোয়াব বৈঠক ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য সময়সূচি: জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে কেবল দুই সবজি প্রেক্ষাপট: বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে মহাকাশে পাড়ি জমাল নাসার রোমান স্পেস টেলিস্কোপ

প্রতিবেদকের নাম

মহাবিশ্বের অজানা রহস্য ও অন্ধকার শক্তির স্বরূপ উন্মোচনের লক্ষ্যে নাসা মহাকাশে পাঠিয়েছে ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’। গত ৩০ আগস্ট ফ্লোরিডার কেপ কানাভেরালের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে এই শক্তিশালী টেলিস্কোপটি উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রায় ৪০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই টেলিস্কোপটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৬ লাখ কিলোমিটার বা ১০ লাখ মাইল দূরে অবস্থিত ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট টু নামক স্থানে স্থাপন করা হবে।

টেলিস্কোপটির জ্যেষ্ঠ প্রকল্প বিজ্ঞানী জুলি ম্যাকেনারি জানিয়েছেন, এটি বিজ্ঞানীদের জন্য মহাকাশ গবেষণার নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করবে। টেলিস্কোপটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক জ্যাকি টাউনসেন্ডের ভাষ্যমতে, পরবর্তী নব্বই দিন বিজ্ঞানীরা টেলিস্কোপটি পুরোপুরি সচল করার জন্য কাজ করবেন। আশা করা হচ্ছে, শীতকালীন ছুটির আগেই এটি প্রথম উচ্চ রেজোল্যুশনের ছবি পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে। মূলত একটি গুপ্তচর স্যাটেলাইট প্রোগ্রামের আদলে তৈরি এই টেলিস্কোপটি অত্যন্ত দ্রুত মহাকাশ জরিপ করতে সক্ষম। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের যে পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি জরিপ করতে এক শতাব্দী সময় লাগত, রোমান স্পেস টেলিস্কোপ তা মাত্র এক মাসেই সম্পন্ন করতে পারবে।

নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই টেলিস্কোপটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি মানচিত্র তৈরি করবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মূল জরিপ সম্পন্ন করতে এক বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হবে, যেখানে ২০০ কোটিরও বেশি গ্যালাক্সির তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। বিজ্ঞানীদের বর্তমান ধারণা অনুযায়ী, মহাকাশে প্রায় ২৭ শতাংশ ডার্ক ম্যাটার এবং ৬৮ শতাংশ ডার্ক এনার্জি রয়েছে। রোমান স্পেস টেলিস্কোপ ডার্ক ম্যাটারের আকর্ষণ এবং ডার্ক এনার্জির বিকর্ষণ শক্তি পরিমাপের মাধ্যমে মহাবিশ্বের অমীমাংসিত রহস্যগুলোর সমাধান খুঁজবে।

গবেষণার পাশাপাশি সৌরজগতের বাইরের গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট অনুসন্ধানেও টেলিস্কোপটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি নিয়ে বিদ্যমান বৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলোর সত্যতা যাচাই এবং হাজার হাজার নতুন গ্রহ আবিষ্কারের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞানে এটি এক নতুন যুগের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অজানা এক জগতের দিকে পা বাড়াতে যাওয়ার মতো অনুভূতি এটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ন্যাশনাল রিকনেসান্স কার্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের জন্য তারা প্রস্তুতি নেবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হাজার হাজার নতুন গ্রহও আবিষ্কার করবে টেলিস্কোপটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ