বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নেতানিয়াহু -: বিক্ষোভের পর ফ্রান্সকে ‘চরমপন্থি ইসলামের’ আশ্রয়স্থল সৌদি আরবের রুটে ফ্লাইট বৃদ্ধি করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস টোকিও চলচ্চিত্র উৎসবে অস্কারের শীর্ষ নেতৃত্বের বিশেষ সফর ঢাকার ৩৩ পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন, কঠোর নিরাপত্তার বলয়ে পুলিশ রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী পদে প্রত্যাহৃত মোংলা বন্দর পরিদর্শনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকলের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটির আহ্বান রাষ্ট্রপতির পুলিশ: নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলির ভেতরে বুলেট পাওয়া ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা শুরু ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হচ্ছে ‘রিচ’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আলাদা ট্রাইব্যুনাল হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ঃ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না তাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আলাদা ট্রাইবুনাল তৈরির করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। সিনথেটিক ও সেমি সিনথেটিক মাদকের বিস্তারের কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান মাদক আইনে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কারণ মাদকচক্রগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। আর আমাদের কর্মকর্তাদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেকটা ‘ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দারে’র মতো। এজন্য আমরা মাদক আইনটা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছি। একটা আইনি কাঠামোর দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। হয়ত এই সংসদেই সেটা উঠবে।

মাদকের প্রচুর মামলা আদালতে ঝুলছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ঢাকায় মাদকের ৮০ হাজার মামলা পেন্ডিং আছে। বিভিন্ন জেলায় আরও অনেক মামলা ঝুলছে।

এ বিপুল সংখ্যক মামলার বিচার প্রথাগতভাবে করা কঠিন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মাদক মামলার বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, পাশাপাশি প্রথাগত আদালতেও এর বিচার কাজ চলবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় ১৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে উৎসাহিত করার অংশ হিসেবে ৭৩টি কেন্দ্রকে এক কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ