রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ মিনারে সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের আলটিমেটাম ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ: পাইলট প্রকল্পের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্বার্থ ও আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি ডিসিসিআইয়ের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে ক্যারিয়ার এক্সপোর ষষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত সিলেটের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ কানাডার পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ, পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা

শিশু ইসমাইলকে বেত দিয়ে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ভাবে মারধরের ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা

খুলনা প্রতিনিধি ঃ

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা গত ১৭ জুন রাতে পড়া না পারা এবং দুষ্টুমি করার অজুহাতে শিক্ষক আবদুর রহমান ৯ বছরের শিশু ইসমাইলকে বেত দিয়ে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ভাবে মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে শিশুটির মাথা সজোরে দেয়ালে গিয়ে আঘাত পায়।

আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে শিশুটির মস্তিষ্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভেতরে রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। এর ফলে তার দুই চোখের নিচে, পুরো মুখে ও গলার নিচে রক্ত জমাট বেঁধে কালো ও লালচে হয়ে বীভৎসভাবে ফুলে যায়।

এত বড় ঘটনার পরও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবারকে কিছুই জানায়নি। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর, ২০ জুন রাতে অন্য এক মাধ্যমে খবর পেয়ে ইসমাইলের বাবা ওমর ফারুক শিকদার স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় যান এবং ছেলেকে উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর শিশুটি এতটাই আতঙ্কিত যে সে ঠিকমতো কথা বলতে পারছে না এবং ঘুমের মধ্যেও আঁতকে উঠছে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মাথায় তীব্র আঘাতের কারণে ইসমাইলের মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে। নিউরো সার্জনরা জানিয়েছেন, প্রথমে ওষুধের মাধ্যমে রক্ত শুকানোর চেষ্টা করা হবে। তবে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হলে দ্রুত তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার (অপারেশন) করতে হতে পারে।

ইসমাইলের বাবা ওমর ফারুক শিকদার সোনাডাঙ্গা থানায় অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষক আবদুর রহমানকে লাঞ্ছিত করে এলাকা থেকে বের করে দেন।

বর্তমানে ওই শিক্ষক তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ