বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

প্রতিবেদকের নাম

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিকায়িত উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে তিনি এই স্থাপনা দুটির ফলক উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলম। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং নবায়নকৃত ওসমানী উদ্যান ও এর সংলগ্ন গ্রন্থাগার ঘুরে দেখেন। উদ্যানের পাশে স্থাপিত গ্রন্থাগারও পরিদর্শন করেন।

এই আয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক যথাক্রমে আবদুস সালাম ও শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন। গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর জন্য একটি উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করাই ছিল এই প্রকল্প গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য।

প্রায় এক একর এলাকাজুড়ে স্থাপিত ৯০ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভটিতে লেজার কাটিং প্রযুক্তিতে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। এর সামনের অংশে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক স্থাপন করা হয়েছে। স্থাপনাটির বাইরের দেয়ালে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরের দিকে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ভাস্কর্যের মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও ধারাবাহিক সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ