পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আনা পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সড়কপথে প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টা ০৩ মিনিটের দিকে কঠোর নিরাপত্তায় ইউরেনিয়াম বহনকারী গাড়িবহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই বহরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
এর আগে সর্বশেষ গত ৩ অক্টোবর প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের একটি চালান রূপপুরে আনা হয়।
এরও আগে ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি দেশে আসে এবং চলতি বছরের মে মাসে তা চুল্লিতে স্থাপন করা হয়।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ১১ অক্টোবর দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া সফল হয়। প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর ঘটনা কেন্দ্রটির কমিশনিং কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফল হলে আগামী মাসে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। শিগগিরই সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ সময়সূচি নির্ভর করবে কারিগরি পরীক্ষা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত কার্যক্রমের অগ্রগতির ওপর। টাইগারকে হামলার পর ভারী অস্ত্রধারী কমান্ডোর পাহারায় সালমান। মেডিকেয়ারে বয়স্কদের নিবন্ধন শুরু, নতুন নিয়মে বড় পরিবর্তন।
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়ার সহযোগিতায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২শ মেগাওয়াট ধারণ সম্পন্ন ২টি ইউনিটের মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ শুরু হয় ২০১৩ সালে। রাশিয়ার সহযোগিতায় এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার ওপরে।