সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল কোরআন-সুন্নাহর পরিপন্থী: জাতীয় সংসদে ডা. শফিকুর রহমান ইউনেসকোর ডিজিটাল লার্নিং উইকে যোগ দিতে ফ্রান্স গেলেন শিক্ষামন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতায় আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী কেন বোটক্সের চেয়ে মুখের স্বাভাবিক অভিব্যক্তিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন জেনিফার লরেন্স? যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফি শিল্পকে বৈধ করার পথে ইউক্রেন প্রবাসীদের ১০ দফা সমস্যা সমাধানে সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুরের প্রতিশ্রুতি উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার ও মিছিল নিষিদ্ধ: নতুন আচরণবিধি জারি করল নির্বাচন কমিশন শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব শেখ সেলিমের, দেশে ফেরার পরিকল্পনা ডিসেম্বরে ২২৮ বছরের পুরনো লন্ডনের রেস্তোরাঁ ‘রুলস’: যেখানে আজও ভিড় জমান বিখ্যাতরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় কেক কাটার ঘটনায় তিনজনকে শোকজ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতায় আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন বিষয়ক জাপান সরকারের বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা ও প্রত্যাবাসনসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে বিশেষ দূত ইয়োহেই সাসাকাওয়া জানান, গত ৫০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন বা জাতীয় পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে নিজের ভূমিকার কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি স্বীকার করেন যে, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে এবং এ বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। এছাড়া জাপান সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় চলমান মানবিক কার্যক্রম ও অনুদানের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য সাসাকাওয়াকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় জাপানের সহযোগিতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বিশেষ দূতের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, প্রত্যাবাসন পরবর্তী সময়ে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনেও বাংলাদেশ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

জবাবে বিশেষ দূত জানান, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং মিয়ানমার সরকার এই সংকট সমাধানে আন্তরিক। তবে রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগছে। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে কেবল দ্বিপক্ষীয় নয়, বরং বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন। বিশেষ দূত এ বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ