শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চাঁদপুরে মৎস্য বিভাগের নজরদারির অভাবে বাড়ছে পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত বেসরকারি এতিমখানায় ১৪০ কোটি টাকার সরকারি ভাতা অনুমোদন হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ জন, সৌদিতে মৃত্যু ৫৪ বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের প্রস্তুতি পাকিস্তানের দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে ৬-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিল কানাডা

চাঁদপুরে মৎস্য বিভাগের নজরদারির অভাবে বাড়ছে পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি

চাঁদপুর প্রতিনিধি ঃ

চাঁদপুরের নদী উপকূলীয় এলাকায় আড়ৎ ও বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে পাঙ্গাশের পোনা। ৩০ সেন্টিমিটারের নিচে পাঙ্গাসের পোনা ধরা ও বিক্রেতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কেউ মানছে না নিয়ম নীতি। বড় সাইজের পাঙ্গাস মাছ প্রতিকেজি বিক্রি হয় ১হাজার থেকে ১১শ’ টাকা। আর এই ছোট সাইজের পাঙ্গাসের পোনা বিক্রি হয় মাত্র ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা কেজি। মৎস্য বিভাগ বলছে লজিস্টিক সাপোর্ট সহ লোকবল সংকটে নদী ও আড়তে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিন চাঁদপুর শহরের ওয়ারলেছ বাজার, পালবাজার, বিপনীবাগ বাজার, মিশন রোড মোড়, বহরিয়া বাজার, পুরানবাজার, রনাগোয়াল এসব পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি করতে দেখাগেছে। এছাড়াও লালপুর, আনন্দ বাজার, চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, বহরিয়া মৎস্য আড়ৎ ও হরিণা মাছঘাটে খোলামেলা ছোট সাইজের পাঙ্গাশের পোনা হাকডাক দিয়ে বিক্রি করতে দেখাগেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হরিণা মাছঘাটে দেখাগেল প্রতিটি আড়তে অবাধে বিক্রি হচ্ছে পাঙ্গাশের পোনা। ছোট সাইজের পাঙ্গাশের পোনা ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ এসব বিষয়ে কারো মধ্যে নূন্যতম সচেতনতা নেই। পাশাপাশি সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে পাঙ্গাশের পোনা রক্ষায় কোন ধরণের অভিযানও নেই।

এই ঘাটের আড়তদার স্বপন বলেন, ইলিশের জালে ছোট সাইজের পাঙ্গাশের পোনা ধরা পড়ে। আগে কম ছিলো এখন বেশি। ইলিশ আর পাঙ্গাশের পোনা আলাদা দরদামে বিক্রি হয়।

ঘাটের প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী সিরাজ সৈয়াল বলেন, গত বছর এই সময় নদীতে ছোট সাইজের প্রচুর পরিমান ইলিশ পাওয়াগেছে। এবার ইলিশ না পাওয়া গেলেও ওইসব জালে ছোট সাইজের পাঙ্গাশের পোনা বেশি ধরা পড়ছে। জেলেরা নদীতে নেমে যেসব মাছ পায় সবই আড়তে এনে বিক্রি করে। তবে ছোট সাইজের পাঙ্গাশের পোনা না ধরাই উত্তম। কারণ বড় হলে দাম বেশি।

এই ঘাট থেকে পাঙ্গাশের পোনা কিনে শহরের বিপনীবাগ বাজারে বিক্রি করেন খুচরা ব্যবসায়ী কাদির। তিনি বলেন, আজকে তিনি হরিণা ঘাট থেকে ৪ কেজি পাঙ্গাশের পোনা ক্রয় করেছেন ৬শ’ টাকা করে। এগুলো শহরে নিয়ে বিক্রি করবেন ৮শ’ টাকা কেজি দরে। এভাবে এই ঘাটে প্রতিদিন কয়েকম মণ পাঙ্গাশের পোনা কেনাবেচা হয়।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ৩০ সেন্টিমিটারের নিচে পাঙ্গাশ মাছ ধরা সব সময়ের জন্য নিষিদ্ধ। জাটকা রক্ষায় আমরা যেমন অভিযান করেছি, এখন করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ আমাদের লজিস্টিক সাপোর্ট নেই। তারপরেও সদর মৎস্য অফিসকে অভিযান করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ