বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
“দক্ষিণ গফরগাঁও এর সতর বাড়ী গ্রামের বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা” প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ।। দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার “বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল হাই স্কুল”র জয় ঢাকা সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক নিহত লক্ষ্মীপুরে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন শতাধিক নেতাকর্মী সায়মা ওয়াজেদের ডব্লিউএইচও নিয়োগ ত্রুটিপূর্ণ ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব রিপোর্টার পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা গাজীপুরে মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় তিন শিক্ষক গ্রেপ্তার ডেনমার্কে বাড়ির বাগান খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো হাজার বছরের পুরনো ভাইকিং রৌপ্যভান্ডার

বরেন্দ্রর রুক্ষ মাটিতে ফলছে মিষ্টি আঙ্গুর বাণিজ্যিকভাবে চাষের নতুন সম্ভাবনা

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি ঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীসহ সামগ্রিক বরেন্দ্র অঞ্চলের রুক্ষ ও লাল মাটিতে এবার বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষের এক বিশাল সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলের পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং সঠিক জাত নির্বাচন করে সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে পারলে আঙ্গুরের চমৎকার ফলন পাওয়া সম্ভব। চলতি মৌসুমে পরীক্ষামূলক চাষেই কৃষকদের মাঝে অভাবনীয় সাড়া পাওয়া গেছে।

প্রথমবারেই বাজিমাত: দুই কৃষকের অভাবনীয় সাফল্য গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় মোট ১ বিঘা ২ কাঠা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে আঙ্গুর চাষ করা হয়েছে। প্রথমবারেই ফলন ও দাম দেখে মুখে হাসি ফুটেছে স্থানীয় চাষিদের।

উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামানের সাফল্য: দেওপাড়া ইউনিয়নের ঈশ্বরীপুর গ্রামের উদ্যমী কৃষক মনিরুজ্জামান মনির পরীক্ষামূলকভাবে এক বিঘা জমিতে আঙ্গুর চাষ শুরু করেছিলেন। তিনি বলেন, “রুক্ষ মাটিতে আঙ্গুরের এমন ফলন হবে ভাবিনি। বাজারে ভালো সাড়া পাচ্ছি, যা আমাকে আগামীতে আরও বড় পরিসরে চাষ করার আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।

“বসতভিটায় সাব্বিরের চমক: গোদাগাড়ী পৌর এলাকার আলীপুরের কৃষক সাব্বির হোসেন তাঁর বাড়ির আঙিনায় পড়ে থাকা মাত্র ২ কাঠা ফাঁকা জমিতে আঙ্গুর চাষ করে বাজিমাত করেছেন। সাব্বির হোসেন জানান, তাঁর বাগানের উৎপাদিত আঙ্গুর বাজারে প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই অভাবনীয় লাভ দেখে তিনি ইতিমধ্যেই আগামী মৌসুমের জন্য আরও তিন বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষের উদ্দেশ্যে চারা রোপণ সম্পন্ন করেছেন।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি পরীক্ষামূলক আঙ্গুর চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রথমবারের এই যুগান্তকারী সাফল্য পুরো বরেন্দ্র অঞ্চলে আগামীতে ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক আঙ্গুর চাষের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ