মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রেক্ষাপট: মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হতে আগ্রহী বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ক্রেমলিনে পুতিন-জয়শঙ্কর বৈঠক: ভারত-রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার সীমান্ত হাট ও সুতা আমদানি জটিলতা নিরসনে ভারত-বাংলাদেশ আলোচনা নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোহিঙ্গাদের জন্য ৭৩ মিলিয়ন ডলারের নতুন সহায়তা ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাবই প্রধান কারণ: রুহুল কবির রিজভী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলম্বো টেস্টে মাথা ঠোকাঠুকির জেরে শাস্তি পেলেন জয়সোয়াল ও আশিতা দেশে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

প্রেক্ষাপট: গুম-মৃত্যুর ঘটনা-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারের জন্য হচ্ছে নতুন অধিদপ্তর

প্রতিবেদকের নাম

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকার একটি নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই অধিদপ্তরটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৩ আগস্ট, রোববার মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভার বিস্তারিত ও অংশগ্রহণকারী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য ও লক্ষ্য

  • গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে যারা গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কিংবা পঙ্গুত্ব, দৃষ্টিশক্তি হারানো ও দীর্ঘ কারাবাসের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের ত্যাগকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে চায়।
  • ভবিষ্যতে যেন কোনো শক্তি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো পরিবারকে স্বজন হারানোর মতো ঘটনার শিকার হতে না হয়, সে লক্ষ্যেই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সভায় বলেন, গুম, খুন ও বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়ে যারা আর্থ-সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করা জরুরি। সভায় নতুন অধিদপ্তর গঠন, ভুক্তভোগীদের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর সংশ্লিষ্ট তফসিল সংশোধন করে এই দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যপরিধিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ