বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেপালে আকস্মিক বন্যায় ১৭ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধস: নিখোঁজ শত শত, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার নাটোর: ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় মাইকিংয়ের অভিযোগ, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন বহিষ্কৃত নেতার রাশিয়ার আমুর গ্যাস প্ল্যান্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৬ চীনা নাগরিকসহ নিহত ৭ রংপুরে শিক্ষক পরিবারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দিলেন প্রতিবেশী দেশের চার বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রতারণার মামলায় কারাগারে এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক প্রথম ফরাসি নারী হিসেবে মহাকাশে স্পেসওয়াক করলেন নভোচারী সোফি আদেনো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণীকে সাহসিকতায় উদ্ধার করলেন পুলিশ সদস্য

সীমান্ত হাট ও সুতা আমদানি জটিলতা নিরসনে ভারত-বাংলাদেশ আলোচনা

প্রতিবেদকের নাম

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করতে সচিবালয়ে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যবসায়িক বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। চীনের পর ভারতই বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। তবে গত দেড় বছরে বিভিন্ন জটিলতার কারণে বাণিজ্যের গতি কিছুটা মন্থর হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে দুই পক্ষই একমত হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্ববাজারে অত্যন্ত সফল। এই খাতে ভারত জিপার, মেশিনারি ও বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করে সহযোগিতা বাড়াতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখে তিনি গর্ব অনুভব করেন বলেও জানান।

বৈঠকে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি এবং সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিই দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ