বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেপালে আকস্মিক বন্যায় ১৭ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধস: নিখোঁজ শত শত, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার নাটোর: ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় মাইকিংয়ের অভিযোগ, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন বহিষ্কৃত নেতার রাশিয়ার আমুর গ্যাস প্ল্যান্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৬ চীনা নাগরিকসহ নিহত ৭ রংপুরে শিক্ষক পরিবারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দিলেন প্রতিবেশী দেশের চার বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রতারণার মামলায় কারাগারে এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক প্রথম ফরাসি নারী হিসেবে মহাকাশে স্পেসওয়াক করলেন নভোচারী সোফি আদেনো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণীকে সাহসিকতায় উদ্ধার করলেন পুলিশ সদস্য

নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদকের নাম

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সার্বজনীন উপবৃত্তি’ কর্মসূচি পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে উপবৃত্তির সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি প্রদানের বিষয়টিও পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে চালু হওয়া নারী উপবৃত্তি কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ রোধে এই কর্মসূচির ভূমিকা তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বর্তমান কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনাও দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে শিক্ষার মানোন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে সরবরাহকৃত খাবার অবশ্যই পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হতে হবে। খাদ্যের গুণগত মানের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। মিড-ডে মিল কার্যক্রমের ব্যয়, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি ভিন্ন বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এই পদ্ধতিগুলোর কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করতে দুটি পৃথক জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

উক্ত বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ