বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইসরাইল নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অনিশ্চয়তা, নতুন ভোটের শঙ্কা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, প্রভাব ফেলছে তেলের দর সিন্ডিকেট ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে সাশ্রয় ১৪ কোটি টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০ গাজীপুরে বাবার মৃত্যু: পলাতক তরুণ আটক, স্থানীয়দের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৫ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে শিক্ষক থেকে শিক্ষার্থী: যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার অভিজ্ঞতায় মিঞা মহসিন ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ

প্রতিবেদকের নাম

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এই বিমান কেনার বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জাহিদ উর রহমান জানান, যুদ্ধক্ষেত্রে জে-১০ যুদ্ধবিমানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও কার্যকারিতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এর প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় চীনা এই যুদ্ধবিমান ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছে, যা বাংলাদেশ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। রাফাল বিশ্বের অন্যতম আধুনিক সাড়ে ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত হলেও, জে-১০ যুদ্ধক্ষেত্রে তার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। এছাড়া রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনা জে-১০ সিই অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার পাশাপাশি চীনের তৈরি অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়েও একটি কমিটি কাজ করছে এবং এ সংক্রান্ত খসড়া চুক্তিও প্রস্তুত করা হয়েছে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ‘নতুন স্বাধীনতা’ প্রসঙ্গে জাহিদ উর রহমান বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সঙ্গে তুলনা করার সুযোগ নেই বলে মনে করে। কেউ যদি এই দুই সময়কে একই পাল্লায় মেপে ২০২৪ সালকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেন, তবে তা হবে সম্পূর্ণ বোকামি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘নতুন স্বাধীনতা’ বলতে মূলত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে বোঝানো হচ্ছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, অতীতে বাংলাদেশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজস্ব স্বার্থে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে পারত না। বর্তমান সরকারের এই সক্ষমতা অর্জনের ফলেই জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো বড় ধরনের প্রতিরক্ষা সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব হচ্ছে, যা ৫ আগস্টের আগে কল্পনা করাও কঠিন ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা সম্ভবত এমন আলোচনা দেখেছি যে বাংলাদেশ জে-১০ যুদ্ধবিমান কিনতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এই যুদ্ধবিমান ব্যবহারের বিষয়টিও বাংলাদেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ