মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে লরির চাপায় নিহত ৫, হাসপাতালে ৪ যাত্রী তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ দিলো সরকার ঢাকা-চট্টগ্রামের জাতীয় গ্রিডে বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয় রাজধানী ও চট্টগ্রামের একাংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ব্যালন ডি’অরে কালো স্যুটে গোলাপি ব্রোচে নজর কাড়লেন ইয়ামাল ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় সংসদ সদস্যপুত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ টোকিওতে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও শক্তি সঞ্চয় করছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, উপকূলের দিকে অগ্রসর হানিফসহ চারজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় বৃহস্পতিবার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে একমত বাংলাদেশ-জাপান

বাংলাদেশের জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি চীনা রাষ্ট্রদূতের

প্রতিবেদকের নাম

বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় চীন সক্রিয়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর বা নবায়নযোগ্য শক্তির বিকাশ ঘটানোর জন্য বর্তমান সময়টি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। চীন এই খাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিশেষ করে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পটিকে তিনি একটি মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন, যা বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে এবং খুব দ্রুতই এর উদ্বোধন করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার একটি নতুন ঐতিহাসিক অধ্যায় সূচিত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামে চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া মোংলা বন্দর প্রকল্প এবং তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে।

অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। তিনি জানান, বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে তুলতে এবং ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানোর জন্য চীন বিশেষজ্ঞ পাঠাবে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরিচালিত হবে।

ঢাকার বস্তি আধুনিকীকরণ প্রকল্পটিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের আধুনিক নাগরিক সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। এই প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং নিকট ভবিষ্যতে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ শক্তি এবং বস্তি উন্নয়ন—এই তিনটি ক্ষেত্রে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সবকিছু প্রস্তুত রয়েছে জেনে আমরা আনন্দিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবিকার সাথে সম্পর্কিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বস্তির মানুষদের আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন একটি শহরের পরিবেশে বসবাস ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করতে চান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ