মক্কা চুক্তিতে (প্যাক্ট) বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যদি বাংলাদেশকে এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে, তবেই বাংলাদেশ বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের তৃতীয় দিনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেলে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা তার প্রশ্নে উল্লেখ করেন, গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথভাবে মক্কা প্যাক্ট স্বাক্ষর করেছে। তিনি এই চুক্তিতে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সম্ভাব্য সুবিধা সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চুক্তিটি বর্তমানে কেবল ওই তিনটি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্যাক্টটি তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে এবং আমরা এটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছি। তবে এতে যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে আসেনি, কারণ এটি সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভরশীল।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, চুক্তির ভালো-মন্দ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সময় এখনো আসেনি। তবে তিনি বিষয়টিকে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।’ চুক্তির পরিধি ভবিষ্যতে বিস্তৃত হলে বাংলাদেশ অবশ্যই তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মক্কা চুক্তি বাংলাদেশের সামনেও নতুন যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে।