সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতে অস্ট্রেলিয়ার ২ নারী ক্রিকেটারকে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত অভিযোগ, আটক ১ সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত বিএনপির এলিজা জামান নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন গ্যাসের খনি আবিষ্কার দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকায় দম্পতিদের মধ্যে যে ৫ পরিবর্তন আসে ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৭০ জন জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির দক্ষিণ গফরগাঁও বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন বিক্রয়ে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য আন্দোলনের নামে সহিংসতাকারীদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ও ফ্লোরিডায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহত ৯

দক্ষিণ গফরগাঁও বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন বিক্রয়ে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম

স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এর পুরাতন দুটি ভবন বিক্রয়ে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত মোঃ আফাজ উদ্দিন তাহার ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা,প্রতারণা ও দুর্নীতিকে আড়াল করার লক্ষে তাহার মনোনীত জহিরুল ইসলাম (মিজুম) নামে এক জন কে অন্তবর্তীকালীন কমিটির সভাপতি ও অভিবাবক সদস্য হিসেবে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এবং সাধারণ শিক্ষক সদস্য হিসেবে মাকসুদা আক্তার কে নিয়া তৎকালীন অনর্বর্তিকালীন কমিটি গঠন করেন। তবে বিগত ৫ আগষ্ট ২০২৪ ইং এর পর গত ০৮ জুন ২০২৫ ইং হতে স্কুল পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন জহিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি। সভাপতি পদ নিয়া একাধিক প্রার্থী থাকলে ও বিশেষ তবিয়তে জহিরুল ইসলাম কে ব্যক্তিগত স্বার্থে সভাপতি করেন মোঃ আফাজ উদ্দিন এবং দীর্ঘ ৩ মাস মোঃ আফাজ উদ্দিন আত্ম গোপনে গাজীপুর ও গফরগাঁও অবস্থান করেছিলেন।

অত্র অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্যগণ দায়িত্বে থাকাকালীন স্কুলের দুইটি পুরাতন ভবন (ভবনের ছবি সংযুক্ত) বিক্রয়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় কিন্তু পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগে মোঃ আফাজ উদ্দিন ও সভাপতি কে স্কুলের স্বার্থে এলাকার অনেকে বলেছেন আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার এর সঙ্গে পরামর্শ করে পুরাতন ভবনটি বিক্রয়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন কিন্তু তাহা অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি গ্রহণ করেন নি কারণ তাদের সৎ উদ্দেশ্য ছিল না, তাদের উদ্দেশ্য ছিল অনিয়ম ও দুর্নীতি করে অর্থ আত্মসাৎ করা। অত্র কমিটির বিরুদ্ধে এস সি পরীক্ষার ফরম ফিলাম হতে অধিক পরিমাণে টাকা আদায় এর ও অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে স্কুলটিতে ১৩০ জন ছাত্র/ছাত্রী রয়েছেন মর্মে এলাকা সূত্রে জানাযায়। যেখানে বিগত ১২ বছর আগে ৫০০/৫৫০ জন ছাত্র/ছাত্রী স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকত। এই সকল বিষয় গুলি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করিয়াছে এবং প্রতিষ্ঠান গুলি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিষ্ঠান গুলি ধ্বংস করার জন্য যাহারা ষড়যন্ত্র করে আসতেছেন এলাকাবাসী বুজতে পারলে ও মান সম্মান এর ভয়ে নীরব ভূমিকা পালন করতেছেন। তাই প্রতিষ্ঠান রক্ষার স্বার্থে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পরবর্তীতে দেখা যায়, ভবন বিক্রয় এর জন্য অপরিচিত একটি পত্রিকায় রাবেয়া স্কুলের পুরাতন ভবন বিক্রয়ের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও তাহা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ পরিপন্থী ভাবে বিজ্ঞপ্তিটি লিখা বা প্রকাশিত করা হয় এবং মাত্র একজন আবেদন করেন ভবন ক্রয় করার জন্য। তার পর ও অন্তর্বর্তীকালীন কমিটিকে বার বার বলা হয় পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার জন্য এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার এর সহযোগিতা নেওয়ার জন্য, কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি তাদের ব্যক্তি স্বার্থে তাহা না করে পাঁচ লক্ষ টাকার মূল্য মানের ভবন বিক্রয় করেন পঁচিশ হাজার টাকা কিন্তু এই পঁচিশ হাজার টাকা কোথায় আছে বা কোন খাতে ব্যয় করা হয়েছে তাহার সঠিক তথ্য পাওয়া যায় নি। তবে এই সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য এলাকাবাসী, যুব সমাজ, অভিবাবক সকলে মোঃ আফাজ উদ্দিন সাবেক প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম কে দায়ী করেছেন।

তবে এলাকাবাসীর দাবী স্কুলের যে পরিমাণ ক্ষতি মোঃ আফাজ উদ্দিন ও জহিরুল ইসলাম করেছেন তাহা বিগত সরকার এর সময় এমন ভাবে স্কুলের ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। স্কুলটি ধ্বংস করার জন্য একটি বিশেষ মহল এখন ও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার সুন্দর পরিবেশ করার চেষ্টা করা হলে ও এক শ্রেণির অসৎ ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের কারণে তাহা সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন এলাকার যুব সমাজ। এলাকাবাসী দাবী করেন, যে ব্যক্তির মাধ্যমে সতর বাড়ী গ্রামের প্রতিষ্ঠান গুলি সুন্দর ও নিরাপদ হবে সেই ব্যক্তিকে যেন জরুরী ভাবে এই এলাকার প্রতিষ্ঠানের সকল ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা আর ও বলেন আমরা চাই প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে যেন সু – শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয় তাহার দিক লক্ষ রেখে যেন আগামী কমিটি করা হয় সেই প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী আর ও বলেন বর্তমানে কিছু নিয়োগ আছে সেই নিয়োগ কে কেন্দ্র করে অর্থ বানিজ্য করার স্বার্থে যেন পকেট কমিটি করা না হয় তাহা দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেন এবং সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্যগণ যেন ভবিষ্যতে আর কোন সময় কমিটিতে না আসতে পারে সে বিষয়টি ও দাবী করেন। অর্থাৎ বিগত ২ বছরে দুটি অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি করা হলে ও কিন্তু কমিটির সদস্য গণের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে কে কি করেছেন তাহা সকল কিছু আমরা এলাকাবাসী পর্যবেক্ষণ করছি এবং এখন ও পর্যবেক্ষণ করতেছি, তবে আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা স্কুলের স্বার্থ বিরুধী কমিটি হলে ভবিষ্যতে নীরব বিপ্লব ঘটবে। তবে মোঃ আফাজ উদ্দিন এর সঙ্গে এই সকল বিষয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন গ্রহণ করেন নি। এলাকার যুব সমাজ বলেন আমরা সম্মান করতে জানি, এখন ও সম্মান করতেছি, দেখতেছি, কি হচ্ছে? তবে কমিটিতেও না এসে নিজ অর্থ দিয়ে স্কুলের জন্য কে কি করেছেন এখন তাহা দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠান ও এলাকার স্বার্থে। আমরা এলাকাবাসী আশা করি, বিগত ২ টি অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সকল ধরনের হিসাব পত্র যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এলাকার সাধারণ মানুষের মনের মত একটি কমিটি উপহার দিবেন।

তবে মোঃ আফাজ উদ্দিন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যেখানে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে স্কুলে সেখানে মোঃ আফাজ উদ্দিন তাহার বাড়িতে বসে তাহার মনমত রেগুলেশন করে পরে সভাপতির সাক্ষর করেন ময়মনসিংহ হতে, অভিবাবক সদস্য এর সাক্ষর করতেন দিগোলবাগ হতে আর সাধারণ শিক্ষক সদস্য এর সাক্ষর নিতেন স্কুল হতে।এভাবে পরিচালিত হচ্ছিল তৎকালীন সভাপতি জহিরুল ইসলাম এর কমিটির কার্যক্রম। এ ছাড়া ও মোঃ আফাজ উদ্দিন ও জহিরুল ইসলাম এর অদক্ষতা, অনিয়ম, স্কুলের অব্যবস্থাপনা ইত্যাদির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এলাকার পক্ষ হতে নাম না প্রকাশে অনেকে জানান। যার ফলে স্কুলটি আজ ধ্বংসের ধরা প্রান্তে চলে গেছে, নেই কোন মান সম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা, ধ্বংস করা হচ্ছে ছাত্র – ছাত্রী দের জীবন।

তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসী দাবী করেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আফাজ উদ্দিন এর সময় অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম এর অনিয়ম ,অন্যায়, দুর্নীতির সঠিক তদন্ত করে প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে সুন্দর সু – শিক্ষা, খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি করার অনুরোধ করেছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ