প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর চারদিকে নানা সমালোচনা থাকলেও, ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বেশ আত্মবিশ্বাসী। বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচে বিশ্বসেরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার সুযোগকেই ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন তিনি। শান্তর মতে, এই পর্যায়ে খেলার জন্য আলাদা করে কাউকে উদ্বুদ্ধ করার প্রয়োজন পড়ে না।
অস্ট্রেলিয়াকে টেস্ট ফরম্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে আধিপত্য বিস্তারকারী দল হিসেবে অভিহিত করে শান্ত বলেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা এক নম্বর এবং তাদের বিপক্ষে খেলা প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য বড় সুযোগ। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, বাইরের সমালোচনার চেয়ে দলের ভেতর ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে ভালো করার তাড়না অনেক বেশি। বড় স্কোর গড়া কিংবা ৫ উইকেট নেওয়ার মতো পারফরম্যান্স দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন তিনি।
প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার ঘটনাটি পেছনে ফেলে এখন মূল লড়াইয়ের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ। পেস সহায়ক উইকেটে অজিদের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ সামলানো যে বড় পরীক্ষা হবে, তা স্বীকার করেছেন শান্ত। তবে ইতিবাচক মানসিকতা এবং দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ ধরে রাখার মাধ্যমেই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায় টাইগাররা।
সিরিজের প্রথম টেস্টে কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষের শক্তি বিবেচনায় বাংলাদেশ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তবে শান্তর কণ্ঠে ছিল দৃঢ় প্রত্যয়। তিনি মনে করেন, দল হিসেবে ভালো করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও ইতিবাচক ফলাফল সম্ভব। ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের মধ্যে যে আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে, তা মাঠের লড়াইয়ে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ দল।
প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হওয়া নিয়ে বাইরে সমালোচনা চললেও ড্রেসিংরুমের চিত্র ভিন্ন বলে জানান শান্ত।
সবাই জানে যে এখানে একটা বড় স্কোর বা একটা ৫ উইকেট নেওয়া, দল হিসেবে ভালো করা—এটা আমাদের নিজেদের জন্য এবং আমাদের টিমের ভবিষ্যতের জন্য খুব ভালো একটা কাজে দেবে।’