বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘অ্যামেজিং ব্যাগ’ উপহার কার্যক্রমের মাধ্যমে হাট ইয়াই-এ ‘অ্যামেজিং থাইল্যান্ড পাসপোর্ট প্রিভিলেজেস’ চালু হলো ২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ১৫ হাজার ডলারের মার্কিন ভিসা বন্ড তালিকায় নতুন ১২ দেশ সিরাজগঞ্জের দৃষ্টিনন্দন আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর স্থাপনা আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ চালু হচ্ছে BIWTC এর নতুন জাহাজ গন্তব্য হাতিয়া আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপ ফুটবলের, টুর্নামেন্ট-পূর্ব অস্থিরতার মাঝেও প্রস্তুত ফুটবল বিশ্ব বিশ্বকাপের আমেজ ছড়াতে ঢাকায় ফুটবল ফিয়েস্তা গরুর মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না ঝিনাইদহে বটগাছের ডালের উপর রেস্টুরেন্ট-উৎসুক মানুষের ভিড় বাজারে এলো স্যামসাংয়ের নতুন তিন মডেলের চেস্ট ফ্রিজার

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নয় সরকার, আসছে দ্রুত সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদকের নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) জবাবে সন্তুষ্ট নয় সরকার। এ ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া শোকজের জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়। তাদের দেওয়া তথ্যও স্পষ্ট নয়।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ২৭ মে ভোরে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির নানা দিক উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না। সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা ছিল না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও ছিল অপ্রতুল এবং অনিয়মিতভাবে পরিচালিত হতো।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। নবজাতকদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তদন্তে উল্লেখ করা হয়, জন্মের পর নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল। তাদের বিশেষায়িত চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরেরও প্রয়োজন ছিল না। তবে পরবর্তী সময়ে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলেও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়নি। এ ছাড়া হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটির বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এর আগে গত ৪ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা এক চিঠিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ