শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিনাজপুর বোর্ডে এইচএসসিতে পাস প্রায় ৪৬ শতাংশ, বাদ পড়েনি জিপিএ-৫ গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, ১৩ কিলোমিটার এলাকায় ছুটি এইচএসসি পরীক্ষায় ৫২.১২ শতাংশ উত্তীর্ণ, ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন চাকরি থেকে বরখাস্ত বিতর্কিত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন এইচএসসি পরীক্ষায় এবারও দেশসেরা নরসিংদীর আব্দুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ উত্তর প্রদেশে বিজেপি নেতাদের মান-অভিমান ভুলতে অমিত শাহর নির্দেশ জাপান সফরে ৬৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে দীপ: তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি যশোর বোর্ডে এইচএসসির পাশের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে মিরপুরের ওয়াওজা: অপটিক্যাল ইলুশন ও গেমিংয়ের এক অন্যরকম দুনিয়া

এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪ লাখ শিক্ষার্থীর দ্রুত পরীক্ষার সুযোগ

প্রতিবেদকের নাম

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীকে এক মাসের মধ্যে কেবল ফেল করা বিষয়েই পুনরায় পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় এ ঘোষণা দেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এই সিদ্ধান্তের ফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বছরের পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘চ্যালেঞ্জড শিক্ষার্থী সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন শিক্ষার্থীদের এক বছর পিছিয়ে থাকা রোধে তিন মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ প্রদানের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। সাধারণত পাবলিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে শিক্ষার্থীদের পরের বছরের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়, যা তাদের শিক্ষাজীবনে দীর্ঘ বিরতি ও মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। বর্তমান উদ্যোগটি সেই পরিস্থিতি লাঘবে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি মানসিক চাপও তৈরি হয়।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া দুই মাসের মধ্যে এবং তিন বা তার বেশি বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তিন মাসের মধ্যে শেষ করা হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, ফল প্রকাশের পর থেকে এক মাস পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ থাকছে। পুনর্নিরীক্ষণ শেষে নতুন রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং এরপর মূল্যায়ন সম্পন্ন করে চূড়ান্ত ফল দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, গত ২ জুলাই শুরু হয়ে এবারের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্ট শেষ হয়। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী মোট ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষের অপচয় কমানোর উদ্যোগ সফল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ