রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক মিছিলের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ভাটারা থানার সামনে থেকে গুলশান থানা জামায়াতের আয়োজনে এই বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। দলটির দাবি, রাজনৈতিক অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত বর্তমান সরকারের বিচারিক শিথিলতাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী খুনিদের বিচারের ক্ষেত্রে সরকার যদি কোনো ধরনের তালবাহানা বা শিথিলতা প্রদর্শন করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হবো।’ আয়নাঘর নির্মাণ, অর্থ পাচার ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগে অভিযুক্তদের বাংলাদেশে আর কোনো স্থান নেই বলেও তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে ইয়াসিন আরাফাত আরও বলেন, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের সদস্যরা কীভাবে মিছিল করার সাহস পেল, তার জবাব প্রশাসনকেই দিতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যারা শত শত মায়ের বুক খালি করেছে এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। নিষিদ্ধ সংগঠনের সব ধরণের অপতৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।
এই কর্মসূচিতে গুলশান পূর্ব থানা আমির জিল্লুর রহমান, ভাটারা থানা আমির অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম এবং গুলশান পশ্চিম থানা আমির মাহমুদুর রহমান আযাদসহ দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তারা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন আর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং এর বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আওয়ামী লীগের ‘ষড়যন্ত্র ও নানামুখী অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।