শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লংমার্চ নয়, আলোচনায় সমস্যার সমাধান চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ডিজে পার্টি ও মাদক কাণ্ডে অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত সাংবিধানিক ট্রাইব্যুনালপ্রধান বরখাস্ত: পোল্যান্ডে বিক্ষোভ, দেশে ফিরছেন প্রেসিডেন্ট গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে রবিবার বোর্ড গঠন ৪ নভেম্বরের মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা প্রতিমন্ত্রী মুহিত: লং ড্রাইভ বাদ দিয়ে ফ্যাসিবাদের জঞ্জাল পরিষ্কার করুন দিনাজপুর বোর্ডে এইচএসসিতে পাস প্রায় ৪৬ শতাংশ, বাদ পড়েনি জিপিএ-৫ গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, ১৩ কিলোমিটার এলাকায় ছুটি এইচএসসি পরীক্ষায় ৫২.১২ শতাংশ উত্তীর্ণ, ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন চাকরি থেকে বরখাস্ত বিতর্কিত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন

ডিজে পার্টি ও মাদক কাণ্ডে অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত

প্রতিবেদকের নাম

রাজধানীর ভাটারা থানার পুলিশ হাউজিং আবাসিক এলাকায় নিজের ফ্ল্যাটে অবৈধ মাদক সেবন ও ডিজে পার্টির আয়োজনের অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় তাকে রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে (পিএসটিএস) সংযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বিধি অনুযায়ী তিনি খোরপোষ ভাতা পাবেন। ওই সময় বাড়িটিতে অবৈধ মাদক সেবন ও ডিজে পার্টি চলছিল বলে ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ১২(১) বিধি অনুসরণে গত ২৫ অক্টোবর থেকে এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উত্তর শাখা ভাটারায় আব্দুল্লাহ আল জহিরের ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় বাসাটি থেকে গাঁজা, মদ, ইয়াবা এবং ইয়াবা সেবনের নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ২৬ জন নারীসহ সর্বমোট ৮৫ জনকে আটকের খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ২৬ জন নারীসহ মোট ৮৫ জনকে আটকের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত শিষ্টাচারবহির্ভূত, অদক্ষতামূলক এবং বিভাগীয় নিয়ম ও শৃঙ্খলার সরাসরি পরিপন্থি। এ ঘটনার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়েছে, যা বরখাস্তের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ ঘটনায় জনমনে পুলিশের প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে এবং জনসম্মুখে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ